Khagen Murmu: বড় ক্ষতি হয়ে গেল খগেন মুর্মুর, হবে অস্ত্রোপচার! এখন কী অবস্থা বিজেপি সাংসদের?
Khagen Murmu Condition: ভয়াবহ ভাবে আক্রান্ত হন বিজেপির দুই উত্তরবঙ্গের জনপ্রতিনিধি। একজন মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু। অন্যজন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। একটি ভিডিয়োয় দেখা যায়, নাক-মুখ ফেটে থেকে অঝোরে রক্ত ঝরছে সাংসদের। ভিজে যাচ্ছে রুমাল, গামছা। খগেন ছাড়াও আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও।

শিলিগুড়ি: হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে শারীরিক অবস্থার বিশেষ কোনও অবনতি ঘটেনি। তবে শরীর মোটেই ভাল নেই মালদহ উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর। আপাতত শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তবে পরিস্থিতি বুঝে তাঁকে দিল্লিতেও নিয়ে যাওয়া হতে পারে। আর মঙ্গলেই নেওয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত।
সোমবার বন্যা বিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার পথে ভয়াবহ ভাবে আক্রান্ত হন বিজেপির দুই উত্তরবঙ্গের জনপ্রতিনিধি। একজন মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু। অন্যজন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। একটি ভিডিয়োয় দেখা যায়, নাক-মুখ ফেটে থেকে অঝোরে রক্ত ঝরছে সাংসদের। ভিজে যাচ্ছে রুমাল, গামছা। খগেন ছাড়াও আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষও।
উভয়েই আপাতত হাসপাতালে ভর্তি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ওই হামলায় বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে খগেন মুর্মুর। তাঁর চোখের নীচের অংশের একটি হাড় ভেঙে গিয়েছে বলেই শুভেন্দুকে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘ওনার অবস্থা খুব গুরুতর। চোখের নীচের অংশের একটা হাড় ভেঙে গিয়েছে। চিকিৎসকরা বললেন, অস্ত্রোপচার করতে হবে। ওই অংশটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
তবে এই অস্ত্রোপচার শিলিগুড়িতেই হবে কি না তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। সূত্রের খবর, এদিন বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করানো হবে আহত বিজেপি সাংসদের। উপস্থিত থাকবেন চিকিৎসকদের একটি দলও। এছাড়াও, খগেনের সঙ্গে দেখা করতে যাবে বিজেপির রাজ্যস্তরের শীর্ষ নেতৃত্বরাও। তাঁরাই চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতাল নির্বাচন করবেন। জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির ওই বেসরকারি হাসপাতালের পরিবর্তে খগেনকে দিল্লি এইমসেও নিয়ে যাওয়া হতে পারে।
অন্যদিকে, শঙ্কর ঘোষ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলেই খবর। সোমবার রাতে শুভেন্দু জানিয়ে দিয়েছিলেন, শঙ্কর ঘোষ ‘আউট অব ডেঞ্জার’। মঙ্গলবার বেলা ১২টা নাগাদ তাঁর একটি এমআরআই পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। তারপর কবে তাঁকে ছাড়া হবে, সেই নিয়েও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন চিকিৎসকরা। উল্লেখ্য, জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় বিজেপির দুই জনপ্রতিনিধির উপর হামলার ঘটনার পর কয়েক ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও পাকড়াও করা যায়নি অভিযুক্তদের। ইতিমধ্য়েই ৮ জন বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দিকেই দায় ঠেলেছে তাঁরা। কিন্তু দিন পেরলেও এখনও অধরাই সেই অভিযুক্তরা।
