Jalpaiguri: সরস্বতী পুজোর আগেই ঘাঁটি গেড়েছিল হোটেলে, ব্রাউন সুগার-সহ ধৃত ৫
Brown Sugar seized: ওই হোটেলের এক কর্মী বলেন, "১৫ জানুয়ারি চারজন এই হোটেলে ঘরভাড়া নেন। বাকি একজন এখানে থাকতেন না। উনি দেখা করতে এসেছিলেন কি না, বলতে পারব না। ওই চারজন আমাদের জানিয়েছিলেন, সবজি ব্যবসা করেন। পুলিশ হোটেলে আসার পর সব জানতে পারি।"

জলপাইগুড়ি: টার্গেট কি যুবসমাজ? সরস্বতী পুজোর আগে থেকেই মাদক কারবারিরা ঘাঁটি গেড়েছিলেন জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি শহরের হোটেলে। কিন্তু, পুলিশের তৎপরতায় বিপুল পরিমাণ ব্রাউন সুগার-সহ ধরা পড়লেন পাঁচজন। উদ্ধার হওয়া ব্রাউন সুগারের বাজারমূল্য ৩০ লক্ষ টাকার মতো বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করার পর হোটেল কর্মীদের সাফাই, তাঁরা এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না।
মঙ্গলবার রাতে ধূপগুড়ি শহরের প্রাণকেন্দ্র চৌপথি এলাকায় ওই বেসরকারি হোটেলে অভিযান চালায় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। হোটেলের পাঁচতলার ২৩ নম্বর ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ ব্রাউন সুগার উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা সকলেই পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটা ব্লকের বাসিন্দা। গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে চৌপথি এলাকার ওই হোটেলে হানা দেয় ধূপগুড়ি মহকুমা পুলিশ আধিকারিক গেইলসন লেপচা, ধূপগুড়ি থানার আইসি অনিন্দ্য ভট্টাচার্য সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী।
হোটেলের পাঁচতলার ২৩ নম্বর ঘরে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় নিষিদ্ধ ব্রাউন সুগার। মাদক উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে পুলিশ। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ধূপগুড়ির ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক গেইলসন লেপচা ও ধূপগুড়ি থানার আইসি অনিন্দ্য ভট্টাচার্য। তাঁদের উপস্থিতিতেই আইনি প্রক্রিয়া মেনে মাদক উদ্ধার ও গ্রেফতারির কাজ সম্পন্ন করা হয়।
ওই হোটেলের এক কর্মী বলেন, “১৫ জানুয়ারি চারজন এই হোটেলে ঘরভাড়া নেন। বাকি একজন এখানে থাকতেন না। উনি দেখা করতে এসেছিলেন কি না, বলতে পারব না। ওই চারজন আমাদের জানিয়েছিলেন, সবজি ব্যবসা করেন। অরিজিনাল নথি দেখিয়েই হোটেলে ঢুকেছিলেন। পুলিশ হোটেলে আসার পর সব জানতে পারি।”
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ধৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সবজির ব্যবসার আড়ালে মাদক কারবার চালিয়ে আসছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় ব্রাউন সুগার সরবরাহ করার পরিকল্পনাই ছিল তাঁদের। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে, তা জানতে ধৃতদের জেরা শুরু করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। পাশাপাশি মাদক চক্রের শিকড় পর্যন্ত পৌঁছতে পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতেও তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, এর সঙ্গে একটি বড় মাদক চক্র জড়িত থাকতে পারে।
