e SIR এর কাজে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মত্যু কমিশনের কর্মীর, আশঙ্কাজনক আরও এক - Bengali News | Commission employee died in a tragic road accident while on his way to work for SIR; another employee is in critical condition | TV9 Bangla News

SIR এর কাজে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মত্যু কমিশনের কর্মীর, আশঙ্কাজনক আরও এক

SIR in Bengal: সূত্রের খবর, শম্পা ও পায়েল যেদিকে যাচ্ছিলেন তার উল্টো দিক থেকে আসছিল একটা ডাম্পার। তার ধাক্কাতেই দুজনেই রাস্তায় ছিটকে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারাই তাঁদের উদ্ধার করে হন।জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

SIR এর কাজে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মত্যু কমিশনের কর্মীর, আশঙ্কাজনক আরও এক
শোকের ছায়া পরিবারেওImage Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 31, 2026 | 5:41 PM

জলপাইগুড়ি: এসআইআর-এর কাজে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল কমিশনের এক কর্মীর। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি শিলিগুড়ি ২৭ নং জাতীয় সড়কের দশ দরগা এলাকায়। দ্রুত গতির ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু ময়নাগুড়ি বিডিও অফিসের এস আই আর এর দায়িত্বে থাকা কর্মী সম্পা রায়ের। গুরুতর গুরুতর জখম তাঁর সহকর্মী পায়েল মোহন্ত।  

সহকর্মী পায়েল মোহন্তর সঙ্গে স্কুটিতে করে বেলাকোবা থেকে ময়নাগুড়ি বিডিও অফিসে যাচ্ছিলেন শম্পা। দু’জনেই ময়নাগুড়ি বিডিও অফিসে গত ৫ দিন ধরে ডেটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে কাজ করছিলেন। এসআইআর এর শুনানি কেন্দ্রের ডেটা এন্ট্রির দায়িত্ব ছিল তাঁদের উপরে। কিন্তু কে জানত অফিসে যাওয়ার পথে রাস্তা ঘটে যাবে এই মর্মান্তিক ঘটনা। 

সূত্রের খবর, শম্পা ও পায়েল যেদিকে যাচ্ছিলেন তার উল্টো দিক থেকে আসছিল একটা ডাম্পার। তার ধাক্কাতেই দুজনেই রাস্তায় ছিটকে পড়েন। স্থানীয় বাসিন্দারাই তাঁদের উদ্ধার করে হন।জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। শম্পাকে মৃত বলে ঘোষণা করে দেন চিকিৎসকেরা। অন্যদিকে পায়েল মোহন্তর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। তবে ঘটনার পর থেকে আর ঘাতক ডাম্পারের খোঁজ পাওয়া যায়নি। খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ। কথা বলা হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে। ঘটনায় দুই পরিবারের পাশাপাশি শোকের ছায়া নেমে এসেছে প্রশাসনিক মহলে। 

অফিস কর্মী সব্যসাচী বক্সী বলছেন, “খুবই খারাপ লাগছে। ও এসআইআরের ডিউটি করতেই ময়নাগুড়ি যাচ্ছিল। শম্পা গাড়ির পিছনে বসেছিল বলে জানতে পেরেছি। কী বলব বুঝতে পারছি না। ওর পরিবারে একমাত্র উপার্জনকারী উনিই ছিলেন।”