
জলপাইগুড়ি: প্রার্থী হয়েও শান্তি নেই। বিতর্ক কিছুতেই পিছু ছাড়ে না পরেশ অধিকারীর। প্রার্থী হতেই নির্বাচনের আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল পরেশ অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ বিজেপির। অভিযোগ অস্বীকার পরেশের। তবে জেলার রাজনৈতিক আঙিনায় পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে চাপানউতোর।
গত কয়েকবছর শিক্ষা দুর্নীতি নিয়ে লাগাতার অভিযোগ উঠেছিল পরেশ অধিকারীর বিরুদ্ধে। তবুও সেইসব বিষয়ে আমল না দিয়ে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁকে পুনরায় টিকিট দেওয়ায় কৃতজ্ঞ তিনি। খানিক হাসিমুখেই বললেন, “লড়তে গেলে কুৎসা হবেই। মানুষ ভালও বলবে, খারাপও বলবে। আলো যদি না থাকে অন্ধকার বোঝা যায় না। আবার অন্ধকার না থাকলে আলো বোঝা যায় না। সেরকমই মমতা-অভিষেক যেভাবে আমাদের উপর ভরসা তাতে আমি কৃতজ্ঞ। ২০২১ সালেও কুৎসা ছিল। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলাম। এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হব।” অন্যদিকে পদ্ম শিবিরকে খোঁচা দিয়ে বলেন, “বিজেপি তো দলীয় কোন্দলের জন্যই এখনও প্রার্থী ঠিক করতে পারেনি বিজেপি।”
এদিন মেখলিগঞ্জ বিধানসভা আসনে পরেশ অধিকারীর নাম ঘোষণা হতেই প্রচারে নামলেন পরেশ অধিকারী। হলদিবাড়ি হুজুর সাহেবের মাজারে গিয়ে প্রার্থনা করেন। যান হলদিবাড়ি বাঁশ কালিবাড়ি মন্দিরেও। প্রিয় নেতা ফের প্রার্থী হওয়ায় উচ্ছ্বসিত অনুগামীদের। উড়ল আবিরও। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের আদর্শ আচরণ বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হলদিবাড়ি শহরজুড়ে বাইক র্যালি পরেশ অনুগামীদের। তা নিয়ে দানা বেঁধেছে বিতর্ক। চাপানউতৌর রাজনৈতিক মহলে। যদিও সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন পরেশ অধিকারী।