Jalpaiguri: নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৫
মঙ্গলবার মালবাজারের জেলা অতিরিক্ত আদালতে গ্রেফতার চার যুবককে নিয়ে আসা হয় কিশোরকে পাঠানো হয় জলপাইগুড়ি জুভেনাইল আদালতে। আদালত ৩ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করে। পকসো ধারায় ধর্ষণের মামলা রুজু করে পুলিশ। গণধর্ষণের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭০ ধারায় অভিযোগ রুজু করেছে।

জলপাইগুড়ি: এক নাবালিকা স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। তাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য। গ্রেফতার এক কিশোর সহ পাঁচজন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে চার যুবক ও এক কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মেটেলি থানা এলাকায় গত সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটে বলে সূত্রের খবর। সোমবার রাতে ছাত্রীর মা মেটেলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের পরেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে মেটেলি থানার পুলিশ।
নাবালিকা ওই এলাকার স্কুলের ছাত্রী। সোমবার স্কুলের পরে ছাত্রীটি তার এক পুরুষ বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে যায়। তারপর তারা বন্ধুর জন্মদিন উদযাপনের জন্য ওই স্কুলের পেছনে আসে। সেখানেই ছাত্রীর বন্ধুকে মারধর করা হয়। এরপরই পুরুষ বন্ধুকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপরই চার যুবক ও এক কিশোর মেয়েটিকে পরপর ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। অভিযোগ পেয়ে সোমবার গভীর রাত থেকেই সক্রিয় হয় পুলিশ। অভিযান চালিয়ে একের পর এক সব অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার মালবাজারের জেলা অতিরিক্ত আদালতে গ্রেফতার চার যুবককে নিয়ে আসা হয় কিশোরকে পাঠানো হয় জলপাইগুড়ি জুভেনাইল আদালতে। আদালত ৩ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করে। পকসো ধারায় ধর্ষণের মামলা রুজু করে পুলিশ। গণধর্ষণের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭০ ধারায় অভিযোগ রুজু করেছে।
জলপাইগুড়ি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গ্রামীণ উত্তম ঘোষ জানান, “একটি চা বাগানের ঘটনা বন্ধুর সঙ্গে চা বাগানে গল্প করছিল। সেই সময় কয়েকজন যুবক ধরে তাকে ধর্ষণ করে। নাবালিকার মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তদন্ত নেমে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের তিন দিনের পুলিশে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এর পেছনে আরো কেউ যুক্ত রয়েছে কি না।”
গণধর্ষণের বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। একের পর এক ঘটনা থেকে তা পরিষ্কার। চা বাগানে একের পর একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। আরও একবার প্রমাণ করল রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। এ রাজ্যের অপরাধীরা পুলিশকে অন্তত ভয় না।”
