
ধূপগুড়ি: রবিবাসরীয় প্রচারে উত্তরবঙ্গের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ডাক দিলেন, তৃণমূলকে ‘উচিত শিক্ষা’ দেওয়ার। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার ঘটনাতেও একহাত নিলেন বাংলার তৃণমূল শিবিরকে। বললেন, ‘তৃণমূল চায় যাতে তাদের তোলাবাজ ও দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের হিংসা-অশান্তির খুল্লামখুল্লা লাইসেন্স থাকে। তাই যখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আসে, তখন তৃণমূল তাদের উপর হামলা চালায়। অন্যদের দিয়ে হামলা করায়। তৃণমূল হল আইন ও সংবিধানকে ধ্বংসকারী একটি দল।’
উল্লেখ্য, শনিবার ভোর রাতেই ভূপতিনগর বিস্ফোরণের তদন্তে এক অভিযানে গিয়ে ‘আক্রান্ত’ হয়েছিল এনআইএ তদন্তকারী দল। একজন এনআইএ অফিসার আহত হয়েছিলেন। তার আগে সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকতে গিয়েও আক্রান্ত হয়েছিল ইডির তদন্তকারী দল। সেই বার তিন জন ইডি অফিসারকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। আজ ধূপগুড়ির সভা থেকে বক্তব্য রাখার সময় কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার অভিযোগে ঘাসফুল শিবিরকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
একইসঙ্গে সরব হলেন সন্দেশখালির প্রসঙ্গ নিয়েও। সন্দেশখালিতে গ্রামবাসী মহিলাদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ ও আন্দোলনের ছবি গোটা দেশ দেখেছে। লোকসভা ভোটের মুখে সন্দেশখালির মতো একটি ইস্যুকে পুরোদমে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি শিবির। আজ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে আবারও উঠে এল সেই সন্দেশখালির প্রসঙ্গ। বললেন, ‘বাংলায় সর্বত্র তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজ চলছে। সাধারণ মানুষকে অত্যাচারিত হতে হচ্ছে। আপনারাই বলুন, সন্দেশখালির অভিযুক্তদের কি কঠোর থেকে কঠোরতম সাজা হওয়া উচিত নয়? তাদের জীবন জেলে কাটানো কি উচিত নয়?’ শুধু সন্দেশখালির প্রসঙ্গই নয়, রেশন দুর্নীতি ও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গেও বাংলার শাসক শিবিরকে একহাত নিলেন মোদী।