AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Jalpaiguri: বিজেপি নেতাদের ছাম-গাইনে ছেঁচে ফেলার নিদান তৃণমূল নেতার

তৃণমূল এসসি ওবিসি সেলের পাশাপাশি রাজগঞ্জ,ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ও জলপাইগুড়ি- এই তিন বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর কৃষ্ণ দাস। তাঁর নেতৃত্বে রবিবার বিকেলে রাজগঞ্জে এসআইআর (SIR) বিরোধী মিছিল বের করা হয়। এদিন রাজগঞ্জ বিধানসভার বেলাকোবার বটতলা থেকে মিছিল শুরু হয়ে বাবুপাড়ায় গিয়ে শেষ হয়। বেশ কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক মিছিলে অংশগ্রহণে করেন।

Jalpaiguri: বিজেপি নেতাদের ছাম-গাইনে ছেঁচে ফেলার নিদান তৃণমূল নেতার
Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Feb 02, 2026 | 7:30 AM
Share

জলপাইগুড়ি: বিজেপি নেতাদের ছাম-গাইনে (হামানদিস্তা) ফেলে ছেঁচার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা! ভোটার লিস্ট থেকে নাম কাটা গেলে বিজেপি নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখার নিদানও দিতে শোনা গেল বিতর্কিত তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাসকে।

গত শুক্রবার ময়নাগুড়িতে সভা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে বাঁশ ঝাড়ে বেঁধে কঞ্চি দিয়ে মারার নিদান দিয়েছিলেন দাপুটে তৃণমূল তথা এসসি ওবিসি সেলের জেলা তথা রাজগঞ্জ বিধানসভার কনভেনার কৃষ্ণ দাস।

বিতর্কিত সেই মন্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই রবিবার রাজগঞ্জের সভামঞ্চ থেকে বিজেপি নেতাদের হামানদিস্তায় ফেলে পিষে ফেলার নিদান দিলেন তিনি। একইসঙ্গে তৃণমূল নেতা আরও বলেন, যদি প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ যায়, তবে বিজেপি নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখা হবে। আর এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

তৃণমূল এসসি ওবিসি সেলের পাশাপাশি রাজগঞ্জ,ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ও জলপাইগুড়ি- এই তিন বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর কৃষ্ণ দাস। তাঁর নেতৃত্বে রবিবার বিকেলে রাজগঞ্জে এসআইআর (SIR) বিরোধী মিছিল বের করা হয়। এদিন রাজগঞ্জ বিধানসভার বেলাকোবার বটতলা থেকে মিছিল শুরু হয়ে বাবুপাড়ায় গিয়ে শেষ হয়। বেশ কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক মিছিলে অংশগ্রহণে করেন। মিছিল শেষে বাবুপাড়া এলাকার এক মাঠে জনসভা হয়।

সেখানে বিজেপি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন রাজগঞ্জ,ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ও জলপাইগুড়ি বিধানসভার কো-অর্ডিনেটর কৃষ্ণ দাস সহ একাধিক নেতা। সভা থেকে বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে তীব্র আক্রমন করা হয়।

বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য নিতাই মণ্ডল তৃণমূল নেতার আক্রমণ প্রসঙ্গে বলেন, “বিএলও থেকে ইআরও-সবাই রাজ্য সরকারের কর্মী। তাঁদের জন্যই বৈধ ভোটাররাও আজ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে।”