ধূপগুড়ি: আগুনে পুড়ে গিয়েছিল একের পর এক দোকান। শর্টসার্কিটের জেরেই অগ্নিকাণ্ড কি না, সেই প্রশ্ন উঠছিল। বিষয়টা মন থেকে মেনে নিতে পারছিলেন না ব্যবসায়ীরা। এই অগ্নিকাণ্ড ‘ম্যান মেড’ কি না, সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। অবশেষে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কাই সত্যি হল। সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসতেই আগুন লাগার কারণ জানা গেল। সিসিটিভিতে দেখা গেল, রাতের অন্ধকারে একাধিক জায়গায় আগুন ধরাচ্ছেন এক যুবক। আর এই সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
রবিবার রাতে ধূপগুড়ির রেগুলেটেড মার্কেটে পর পর তিনটি জায়গাতে আগুন লাগে। ৮ থেকে ১০টি অস্থায়ী দোকানঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়। পর পর তিনটি জায়গাতে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যবসায়ীরা সন্দেহ প্রকাশ করেন, কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়ে থাকতে পারে। শর্টসার্কিটের জেরে আগুন লেগেছে বলে মন থেকে মেনে নিতে পারছিলেন না তাঁরা।
এদিন ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা সত্যি হল। মার্কেট চত্বরের একটি ওষুধের দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে গিয়েই সবটা জানা গেল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল, এক যুবক রবিবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে পর পর দুটি জায়গাতে আগুন লাগাচ্ছে। ওই যুবক জামা দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছে। তাই, তাকে স্পষ্ট চেনা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
আর সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধূপগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে। ওই যুবক স্থানীয় বাসিন্দা নাকি বাইরে থেকে এসে আগুন লাগিয়ে পালিয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে। আগুন লাগানোর কারণ কী হতে পারে? সবদিকই খতিয়ে দেখছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। তার হদিশ পেলেই আগুন লাগানোর কারণ খোলসা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ধূপগুড়ি: আগুনে পুড়ে গিয়েছিল একের পর এক দোকান। শর্টসার্কিটের জেরেই অগ্নিকাণ্ড কি না, সেই প্রশ্ন উঠছিল। বিষয়টা মন থেকে মেনে নিতে পারছিলেন না ব্যবসায়ীরা। এই অগ্নিকাণ্ড ‘ম্যান মেড’ কি না, সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। অবশেষে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কাই সত্যি হল। সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসতেই আগুন লাগার কারণ জানা গেল। সিসিটিভিতে দেখা গেল, রাতের অন্ধকারে একাধিক জায়গায় আগুন ধরাচ্ছেন এক যুবক। আর এই সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
রবিবার রাতে ধূপগুড়ির রেগুলেটেড মার্কেটে পর পর তিনটি জায়গাতে আগুন লাগে। ৮ থেকে ১০টি অস্থায়ী দোকানঘর ভস্মীভূত হয়ে যায়। পর পর তিনটি জায়গাতে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যবসায়ীরা সন্দেহ প্রকাশ করেন, কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়ে থাকতে পারে। শর্টসার্কিটের জেরে আগুন লেগেছে বলে মন থেকে মেনে নিতে পারছিলেন না তাঁরা।
এদিন ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা সত্যি হল। মার্কেট চত্বরের একটি ওষুধের দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে গিয়েই সবটা জানা গেল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেল, এক যুবক রবিবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে পর পর দুটি জায়গাতে আগুন লাগাচ্ছে। ওই যুবক জামা দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছে। তাই, তাকে স্পষ্ট চেনা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশকে দিয়েছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
আর সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ধূপগুড়ি রেগুলেটেড মার্কেটে। ওই যুবক স্থানীয় বাসিন্দা নাকি বাইরে থেকে এসে আগুন লাগিয়ে পালিয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে। আগুন লাগানোর কারণ কী হতে পারে? সবদিকই খতিয়ে দেখছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। অভিযুক্ত যুবকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। তার হদিশ পেলেই আগুন লাগানোর কারণ খোলসা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।