Jhargram: ঝাড়গ্রামে প্রথম কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতে ফুটল পদ্ম
BJP Gram Panchayat in Jhargram: ভুলাভেদা গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৪ জন সদস্য। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১০টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল। ২টি আসনে জেতেন বিজেপি প্রার্থীরা। একটি আসন পায় সিপিএম। আর একটি আসনে জেতেন নির্দল প্রার্থী। ২০২৩ সালে বোর্ড গঠনের সময় তৃণমূলের অন্দরেই টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল।

ঝাড়গ্রাম: জেলায় এতদিন একটাও গ্রাম পঞ্চায়েত তাদের দখলে ছিল না। রাজ্যে প্রথমবার সরকার গঠনের পর ঝাড়গ্রাম জেলায়ও প্রথমবার কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করল বিজেপি। বিনপুর বিধানসভার অন্তর্গত ভুলাভেদা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হলেন বিজেপি সদস্য। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান ইস্তফা দেওয়ায় পঞ্চায়েতের কাজ থমকে গিয়েছিল। তারপরই তৃণমূলের সমর্থনে প্রধান হলেন বিজেপি সদস্য।
ভুলাভেদা গ্রাম পঞ্চায়েতে ১৪ জন সদস্য। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১০টি আসন পেয়েছিল তৃণমূল। ২টি আসনে জেতেন বিজেপি প্রার্থীরা। একটি আসন পায় সিপিএম। আর একটি আসনে জেতেন নির্দল প্রার্থী। ২০২৩ সালে বোর্ড গঠনের সময় তৃণমূলের অন্দরেই টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল। তৃণমূল প্রধান করতে চেয়েছিল পদ্মা সিং নামে এক সদস্যকে। কিন্তু, সেইসময় তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধান হিসেবে চাইছিলেন জ্যোৎস্না সাউ নামে অন্য সদস্যকে। এরপর ঘাসফুল শিবিরের বিক্ষুব্ধ বিজেপি ও অন্য বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে জ্যোৎস্না সাউকে প্রধান নির্বাচিত করেন।
রাজ্যে পালাবদলের পর জ্যোৎস্না সাউ প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন। এতে পঞ্চায়েতের কাজ থমকে যায়। তারপরই তৃণমূলের সমর্থনে প্রধান হলেন বিজেপির জয়ন্তী পাল। তিনিই ঝাড়গ্রাম জেলায় প্রথম কোনও পঞ্চায়েতে বিজেপির প্রধান। আর সেই দায়িত্ব গ্রহণের পর জয়ন্তী বলেন, “আগের প্রধান ইস্তফা দেওয়ার পর পঞ্চায়েতের কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। তখনই সবাই নতুন প্রধান নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত নেন। আমি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে পঞ্চায়েতের কাজ করে যাব।”
অন্যদিকে, পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া নিয়ে জ্যোৎস্না সাউ বলেন, “আমার যাওয়া আসার অসুবিধা হচ্ছিল, সেজন্য আমি ছেড়ে দিয়েছি।” ভগীরথ মণ্ডল নামে ওই পঞ্চায়েতের এক তৃণমূল সদস্য বলেন, “আমাদের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে বিজেপি তাদের মনোনীত প্রার্থীকে প্রধান করেছে। আমাদের প্রধান স্বেচ্ছাতেই পদত্যাগ করেছেন।” এর আগে ঝাড়গ্রামে লোকসভা ও বিধানসভায় ভালো ফল করলেও জেলায় কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত পদ্ম শিবিরের দখলে ছিল না। এখন দেখার, খাতা খোলার পর জেলার আর কোনও পঞ্চায়েতে পদ্ম ফোটে কি না।
