
মালদহ: বুধবার রাত থেকেই শিরোনামে কালিয়াচক। সাত বিচারককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। কড়া বার্তা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার সকালেই কালিয়াচকে পৌঁছে গিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র টিম। এই পুরো ঘটনায় যখন সব পক্ষই একে অপরের দিকে দায় ঠেলছে, তার মধ্যে রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রীর যোগ থাকার অভিযোগ সামনে আনল বিজেপি। একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে অভিযোগ তুলেছে গেরুয়া শিবির।
বৃহস্পতিবার দিনভর রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেছেন, পুরো ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আর সাবিনা দলের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
পরে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স মাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। সেখানে একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকজন সমর্থককে নিয়ে সাবিনা বসে আছেন। মালব্যর দাবি, কালিয়াচকে সাত বিচারককে আটকে রাখার ঘটনার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগেই সাবিনাকে প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। তিনি আরও লিখেছেন, ‘এখন আর এই সব পোস্ট সরিয়ে দিয়ে কোনও লাভ নেই। সবটাই সংগ্রহ করা আছে।’ এই ভিডিয়ো পোস্ট করে সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে অমিত মালব্য।
Hours before mobs held seven judicial officers hostage in Kaliachak, Malda, TMC Minister Sabina Yeasmin was seen among the protesters.
(Do not attempt to delete posts; everything has been archived, including links.)
The Supreme Court and the Election Commission of India must… pic.twitter.com/kOVMykgj0v
— Amit Malviya (@amitmalviya) April 2, 2026
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমাকে বরাবরই খুব ভয় পায়। ভোট এলেই ভয় পায়। শুভেন্দুর ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা।” উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের রাজনীতিক সাবিনা মোথাবাড়ির বিধায়ক হলেও এবার তাঁর কেন্দ্র বদল হয়েছে। এবার সুজাপুর থেকে তাঁকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। নাম ঘোষণার পর থেকেই ময়দানে রয়েছেন সাবিনা।