Harishchandrapur murder case: ভোট দিতে বাড়ি এসেছিলেন,যৌন মিলনে অস্বীকার করায় নোড়া দিয়ে স্ত্রীকে থেঁতলে দিলেন স্ত্রীকে!
Malda crime news: তিন বছর আগে কাকার ছেলে ইস্তামুলের সঙ্গে বিয়ে হয় মাজিমার। পাশাপাশি বাড়ি। অভিযোগ,স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল। যা নিয়ে এর আগেও গ্রামে একাধিকবার সালিশি হয়। বধূ স্বামীর বাড়িতে যেতে অস্বীকার করে অত্যাচারের ভয়ে। বাবার বাড়িতেই থাকতেন। স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক।

মালদহ: ভোট দিতে বাড়ি ফিরেছিলেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক। বাড়ি ফিরেই ভয়ঙ্করকাণ্ড। যৌন মিলনে বাধা দেওয়ায় নোড়া দিয়ে হাত,পা ও দাঁত ভেঙে স্ত্রীকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল।রাজস্থানের জয়পুরে কাজ কর্মরত তিনি। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর ২ ব্লকের দৌলতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেজপুরা গ্রামে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,মৃত বধূর নাম মাজিমা খাতুন (২৫)। অভিযুক্ত স্বামীর নাম ইস্তামুল আলি। তাদের দু’বছর বয়সের এক কন্যা সন্তানও আছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন বছর আগে কাকার ছেলে ইস্তামুলের সঙ্গে বিয়ে হয় মাজিমার। পাশাপাশি বাড়ি। অভিযোগ,স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল। যা নিয়ে এর আগেও গ্রামে একাধিকবার সালিশি হয়। বধূ স্বামীর বাড়িতে যেতে অস্বীকার করে অত্যাচারের ভয়ে। বাবার বাড়িতেই থাকতেন। স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক। জয়পুরে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন।ভোটের জন্যে বাড়ি ফিরে তিনিও শ্বশুরবাড়িতেই থাকতে শুরু করেন।
জানা যাচ্ছে, রাতে স্বামীকে যৌন মিলনে বাধা দেন স্ত্রী। অভিযোগ, তাতেই স্বামী স্ত্রীকে টেনেহিঁচড়ে ঘর বের করে উঠোনে নিয়ে যান। নোড়া দিয়ে থেঁতলে হাত,পা ও দাঁত ভেঙে দেন। ধারালো অস্ত্র দিয়ে জখম করেন। তারপরই পালিয়ে যান স্বামী।
পরিবারের লোকেরা তড়িঘড়ি তাকে উদ্ধার করে চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বলে।কিন্তু তার প্রস্তুতি নিতে নিতেই মৃত্যু হয় মাজিমা খাতুনের। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে তদন্তে নেমেছে।
