Malda BJP Family: ৫ বছর পর বাড়িতে ফিরে চোখে জল, শুভেন্দুর কাছে বড় দাবি বিজেপির বুথ সভাপতির
Malda BJP Family Returns Home After 5 Years: টিভি৯ বাংলার সামনে কেঁদে ফেলেন কালাচাঁদ দাস ও তাঁর স্ত্রী-পুত্র। কালোচাঁদ দাস বলেন, "বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলাম। একুশের নির্বাচনের পর ঘরছাড়া হই। অন্য গ্রামেও এরকম হয়েছে। প্রায় ৫ বছর বাড়িতে ঢুকতে পারিনি। এখন বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। তাই, আসতে পেরেছি। শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আমার একটাই অনুরোধ। তৃণমূলের ওই লোকগুলোকে যেন বিজেপিতে নেওয়া না হয়।"

মালদহ: চোখে খুশির জল। প্রায় ৫ বছর পর ঘরে ফিরেছেন। কিন্তু, এখনও ভুলতে পারছেন না তৃণমূলের হিংসার কথা। আর ঘরে ফিরেই মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের বিজেপির এক বুথ সভাপতি আবেদন করলেন, এখন তৃণমূলের কোনও নেতাকে যেন দলে না নেওয়া হয়। গত ৫ বছরে তাঁদের আতঙ্কের কথা তুলে ধরলেন বিজেপি ওই নেতার স্ত্রী ও পুত্র।
মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের কালাচাঁদ দাস বিজেপির বুথ সভাপতি। প্রায় পাঁচ বছর লুকিয়ে লুকিয়ে পরিবার-সহ থাকতে হয়েছে বাইরে। কখনও কখনও খাবারও জোটেনি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার বিজেপির বুথ সভাপতির পরিবার। বিজেপির বুথ সভাপতি ও তাঁর পরিবারকে মারধর করা হয়। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।
হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতাল মোড়ে বাড়ি কালাচাঁদ দাসের। বাড়ির সামনে দোকান ছিল। সেই দোকানও ভাঙচুর করা হয়। লুটপাট চালানো হয়। এরপরে রাস্তায় টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে অকথ্য মার, অত্যাচারের অভিযোগ ওঠে। এতদিনে ঘরে ফিরলেন। এখন বিজেপির সরকার আসাতে বুকে বল পেয়েছেন। প্রত্যাশা নতুন সরকারের কাছে। লুকিয়ে লুকিয়ে এসে বিজেপিকে ভোট দিয়ে গিয়েছিলেন। এবার সাহস নিয়ে ঘরে ফিরলেন।
কী বলছেন বিজেপির বুথ সভাপতি?
এদিন টিভি৯ বাংলার সামনে কেঁদে ফেলেন কালাচাঁদ দাস ও তাঁর স্ত্রী-পুত্র। কালোচাঁদ দাস বলেন, “বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলাম। একুশের নির্বাচনের পর ঘরছাড়া হই। অন্য গ্রামেও এরকম হয়েছে। প্রায় ৫ বছর বাড়িতে ঢুকতে পারিনি। এখন বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। তাই, আসতে পেরেছি। শুভেন্দু অধিকারীর কাছে আমার একটাই অনুরোধ। তৃণমূলের ওই লোকগুলোকে যেন বিজেপিতে নেওয়া না হয়।”
স্বামীর পাশেই বসেছিলেন কালাচাঁদের স্ত্রী আরতি দাস। তাঁর চোখেও জল। বললেন, “এখন আমার একটাই অনুরোধ, ওই লোকগুলোকে বিজেপিতে নেবেন না।”
কালাচাঁদের ছেলে তপনজিৎ দাস বলেন, “লুকিয়ে এসে ভোট দিয়ে যাই। বিজেপি জিততেই ফিরে এসেছি। এখন মনটা খুব আনন্দ। তৃণমূলের এই গুন্ডারা এখন বিজেপির পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ওদের যেন দলে নেওয়া না হয়।”
