
মালদহ: প্রয়োজন নেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের। চাই শিক্ষা,চাই কাজ। ক্ষুব্ধ সংখ্যা লঘু মহিলা তৃণমূল নেতা কর্মীরা তৃণমূল ছেড়ে মিমে। তাঁদের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভান্ডারের প্রয়োজন নেই। চাই কাজ। স্বামী পরিযায়ী শ্রমিক, তাঁকে যাতে পেটের তাগিদে বাইরে যেতে না হয়। এই রাজ্যে কাজ নেই, ছেলে মেয়েদের সঠিক পড়াশোনা করিয়ে স্বনির্ভর করার মতো পরিকাঠামো নেই,বেহাল শিক্ষা ব্যবস্থা। কার্যত এইসব অভিযোগই তুলছেন তাঁরা।
প্রায় পাঁচশো পরিবার তৃণমূল ছেড়ে ইতিমধ্যেই মিমে যোগদান করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার রতুয়া বিধানসভার অন্তর্গত পরানপুর অঞ্চলের মির্জাতপুর মাদ্রাসা পাড়ায়। এখানেই রতুয়া ১ ব্লক মিম সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে সভা হয়। বিশেষত এলাকার মহিলা তৃণমূলের স্থানীয় নেতা কর্মীরা তাঁদের পরিবার সহ তৃণমূল ছেড়ে মিমে যোগদান করলেন। সাবেরা বিবি বলেন, “আমার ছেলে মেয়ে সবাই বাইরে খাটছে। আমি চাইছি সবাই এখানে কাজ করুক অথচ কোনও কাজ নেই। আর লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকায় সংসার চলে না।” তৃণমূল ছেড়ে দিয়েছি। আমার স্বামী বাইরে খাটছে। এত খবর শুনছি বাইরে গেলে মেরে ফেলছে। অথচ দুটো পয়সার জন্য ওদের বাইরে যেতে হয়েছে। সেই কারণে লক্ষ্মীর ভান্ডার চাইছি না।”
এখানে উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে মালদহ-মুর্শিদাবাদে ক্রমেই শক্তি বিস্তার করছে মিম। আগেই মালদার রতুয়া,মানিকচক,মালতীপুরে তৃণমূল ছেড়ে সংখ্যালঘুরা যোগ দিয়েছেন মিমে। ফের একবার সেই ঘটনা।