SIR in Bengal: ফের BLO-র মৃত্যু, হাউহাউ করে কেঁদে সন্তান বললেন, ‘কমিশন অত্যাচার করল’
মৃতের ছেলে বলেন, "আমার বাবা একজন শিক্ষক। আমার মায়ের দু'বার হার্টের অপারেশন হয়েছে। বাবার উপর অনেক চাপ ছিল। জানি না এইসবের মধ্যেও কীভাবে আমার বাবাকে বিএলও-র কাজ দিয়ে দেওয়া হয়। আমি হায়দ্রাবাদে ছিলাম। বাবার কয়েকদিন ধরে কাশি হচ্ছিল। বলছে পিঠ আর বুকে ব্যথা হচ্ছে। আমরা রয়্যাল নার্সিংহোমে ভর্তি করাই।"

মালদহ: এসআইআর (SIR) পর্বের ফের একবার বাংলায় বিএলও (BLO)-র মৃত্যু। মৃতের নাম মহম্মদ আনিকুল আলাম (৫৪)। তিনি সুজাপুর অঞ্চলের বাসিন্দা কালিয়াচক হাইস্কুলের সহকারি শিক্ষক ছিলেন। এসআইআর পর্বে সুজাপুর অঞ্চলের বুথ নম্বর ১৪৪ এর বিএলও হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। বস্তুত, এর আগেও বাংলায় একাধিক বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে। যা নিয়ে সরব হয়েছিল তৃণমূল। ফের একবার ঘটল এমন ঘটনা।
পরিবারের দাবি, বুধবার ৪৪ জনের পুনরায় এসআইআর-এর ফর্ম ফেরত আসে। সেই সঙ্গে বিএলও-র নিজের ফর্মও ফেরত আসে। সেই সময় সকালবেলা বুকের ব্যথা নিয়ে অসুস্থ হলে তড়িঘড়ি সুজাপুর প্রাথমিক হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে আসেন তিনি। তারপর আবার এসআইআর-এর কাজে বিডিও অফিস যান। সেখান থেকে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। বাড়ি ফিরে আরও বেশি অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
মৃতের ছেলে বলেন, “আমার বাবা একজন শিক্ষক। আমার মায়ের দু’বার হার্টের অপারেশন হয়েছে। বাবার উপর অনেক চাপ ছিল। জানি না এইসবের মধ্যেও কীভাবে আমার বাবাকে বিএলও-র কাজ দিয়ে দেওয়া হয়। আমি হায়দ্রাবাদে ছিলাম। বাবার কয়েকদিন ধরে কাশি হচ্ছিল। বলছে পিঠ আর বুকে ব্যথা হচ্ছে। আমরা রয়্যাল নার্সিংহোমে ভর্তি করাই। তারপরই ডাক্তাররা জানান বাবা আর নেই। আমার বাবা বিএলও ছিল। বাবার নোটিস এসেছিল। অনেকে চিন্তা করছিল। ইসিআই অত্যাচার করল। আর যেন কারও বাবা-মায়ের সঙ্গে এমন না হয়।”
