Malda: লক্ষ্মীর ভান্ডার, বার্ধক্য ভাতার টাকা ঢুকছে না; কারণ ঘিরে শোরগোল মালদহে
Malda Lakshmir Bhandar: জেলা তৃণমূল মুখপাত্র আশিস কুন্ডু বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের জন্য ৯৪টি প্রকল্প চালু করেছেন। সেখানে কোনও দল দেখা হয় না। সঠিকভাবে আবেদন করলেই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। আর কংগ্রেস যেন এই নিয়ে রাজনীতি না করে। দেখা যাবে, তাদের বাড়ির লোকজন ঠিকই সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে ঠিকমতো গিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করুন।"

মালদহ: কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ায়, কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক হওয়ায় গোটা গ্রামের মানুষ বঞ্চিত বার্ধক্য ভাতা, লক্ষীর ভান্ডার থেকে। এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। ভাতা কি শুধু তৃণমূল করলেই মিলবে? উঠছে প্রশ্ন। সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে শামিল হলেন মালদহের চাঁচল ২ ব্লকের চন্দ্রপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরাতন খানপুর গ্রামের বাসিন্দারা। কংগ্রেস পঞ্চায়েত সদস্যকে ভোট দেওয়াই কি অপরাধ? রং দেখে উন্নয়ন? প্রশ্ন তুলে সরব গ্রামবাসীরা। তবে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল।
চাঁচল ২ ব্লকের পুরাতন খানপুর গ্রামের প্রায় ৩০০ পরিবারকে সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখার অভিযোগ উঠেছে। বার্ধক্য ভাতা থেকে শুরু করে লক্ষীর ভান্ডার একাধিকবার আবেদন করার পরেও মেলেনি সরকারি সুযোগ-সুবিধা। বার্ধক্য ভাতা থেকে বঞ্চিত গ্রামের বৃদ্ধ বৃদ্ধারা। গ্রামের একাধিক প্রবীণের অভিযোগ, বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করেও মাসের পর মাস কেটে গেলেও কোনও সাড়া মেলেনি। ব্লকে , পঞ্চায়েতে সর্বত্র নথি জমা করেও মেলেনি কিছুই। শুধু বলা হচ্ছে দেখছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।
একই ছবি লক্ষীর ভান্ডার নিয়েও। ওই গ্রামের কয়েকজন মহিলা অভিযোগ করছেন, সমস্ত নথি জমা দেওয়ার পরও তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি। তাঁদের দাবি, রাজনৈতিক সমর্থন না থাকায় ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। যেহেতু তাঁরা কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন।
গ্রামবাসীদের অভিযোগের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন ওই বুথের কংগ্রেসের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য রাজীব আলি। তাঁর দাবি, তিনি কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন। তাই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কোনও উন্নয়ন করছে না এলাকায়। বঞ্চনার স্বীকার হচ্ছে গ্রামবাসী। দ্রুত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা না দিলে ব্লক অফিস ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। জেলা তৃণমূল মুখপাত্র আশিস কুন্ডু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের জন্য ৯৪টি প্রকল্প চালু করেছেন। সেখানে কোনও দল দেখা হয় না। সঠিকভাবে আবেদন করলেই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। আর কংগ্রেস যেন এই নিয়ে রাজনীতি না করে। দেখা যাবে, তাদের বাড়ির লোকজন ঠিকই সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে ঠিকমতো গিয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করুন।”
