AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Canning: ঝগড়ার মাঝে আচমকা পেটে কোপ বসিয়ে দিল স্ত্রী, রক্তাক্ত অবস্থায় নিজেই হেঁটে হাসপাতালে গেল স্বামী

Tension in Canning: তবে হযরতকে কেউ উদ্ধার করেনি। রক্তাক্ত অবস্থায় হযরত নিজেই ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পৌঁছান। খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও হাসপাতালে ছুটে আসেন। কিন্তু ক্ষত গভীর হওয়ায় দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে।

Canning: ঝগড়ার মাঝে আচমকা পেটে কোপ বসিয়ে দিল স্ত্রী, রক্তাক্ত অবস্থায় নিজেই হেঁটে হাসপাতালে গেল স্বামী
ঘটনায় চাঞ্চল্য এলাকায় Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 07, 2026 | 9:38 AM
Share

ক্যানিং: সামান্য সাংসারিক বিবাদ যে এমন রক্তক্ষয়ী রূপ নিতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেননি ক্যানিংয়ের উত্তর অঙ্গদবেরিয়া গ্রামের বাসিন্দারা। তুচ্ছ ঝগড়ার জেরে নিজের স্বামীর পেটে ধারাল অস্ত্রsj কোপ মারার অভিযোগ স্ত্রীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই যুবক কলকাতার চিত্তরঞ্জন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। খবর প্রকাশ্যে আসতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত যুবকের নাম হযরত লস্কর। গত এক বছর ধরে তিনি ক্যানিং থানার উত্তর অঙ্গদবেরিয়া গ্রামে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেই থাকছিলেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে কোনও একটি পারিবারিক বিষয় নিয়ে হযরতের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর বচসা শুরু হয়। সময় যত গড়ায় ঝগড়ার তীব্রতাও তত বাড়তে থাকে। কিন্তু তার পরিণতি যে এই হতে পারে তা কেউ ভাবতেই পারেননি। 

তবে হযরতকে কেউ উদ্ধার করেনি। রক্তাক্ত অবস্থায় হযরত নিজেই ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পৌঁছান। খবর পেয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও হাসপাতালে ছুটে আসেন। কিন্তু ক্ষত গভীর হওয়ায় দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসার হলেও চিকিৎসকরা তাঁকে রাতেই কলকাতার চিত্তরঞ্জন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। পরিবারে উদ্বেগ। বাড়ির লোকজন  ইতিমধ্যেই ক্যানিংয় থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। জানানো হয়েছে অভিযোগ। কিন্তু ঘটনার পর থেকে স্ত্রীর আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ তাঁর খোঁজে পুরোদমে তল্লাশি শুরু করেছে। কথা বলা হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও।