AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Kalighat: ‘আমার ভুল হয়েছে, ক্ষমা করে দিন ম্যাডাম’, কালীঘাটে হোর্ডিং ঘিরে জোর বিতর্ক

Trinamool Congress: গেরুয়া শিবির অবশ্য এই হোর্ডিংকে অশালীন এবং অমার্জনীয় অপরাধ বলে দাবি করেছে। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। ভারতের গণতন্ত্রে নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাকে অপমান করেছে তৃণমূল।

Kalighat: ‘আমার ভুল হয়েছে, ক্ষমা করে দিন ম্যাডাম’, কালীঘাটে হোর্ডিং ঘিরে জোর বিতর্ক
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 07, 2026 | 9:22 AM
Share

কলকাতা: দু’দিন পরেই আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সেই দলে থাকার সম্ভাবনা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারেরও। ঠিক তার আগেই কালীঘাট এলাকা জুড়ে পড়ল বেশ কয়েকটি হোর্ডিং। যা নিয়ে একেবারে তুঙ্গে বিতর্ক। এদিকে আবার চূড়ান্ত তালিকা বের হতেই এসআইআর নিয়ে তরজার ঢেউ যেন এক লাফে আরও কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং রাজপথে ধরনায় বসেছেন। সেই এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা করতেই বিতর্কিত হোর্ডিং কালীঘাটের ৮৩ নম্বর ওয়ার্ড জুড়ে।

হোর্ডিংয়ে দেখা যাচ্ছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মাটিতে পড়ে গিয়েছে, বাঁচার চেষ্টা করছেন। দেখা যাচ্ছে একজন মহিলার হাত। মুষ্টিবদ্ধ সেই হাত চেপে ধরেছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। হাতের উপরে লেখা বাঘিনী। পাশে লেখা রয়েছে, ‘আমার ভুল হয়েছে। ক্ষমা করে দিন ম্যাডাম’। অন্যদিকে যে প্রতিবাদ হাত দেখা যাচ্ছে সেই মহিলার শাড়ির আঁচলে নীল সাদা রং স্পষ্ট। যদিও পুরোটাই কার্টুনের আঙ্গিকে। এমনকি ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে আদালতের বিচারপতির ছবিও। 

কিন্তু ওই হাত কার? তৃণমূলের দাবি, এই হাত বাংলার মায়ের হাত। বাংলার মেয়েদের হাত। যে রাজ্যে অরাজকতা তৈরি হয়েছে এসআইআরের নামে, এ সেই রাজ্যেরই প্রতিবাদী হাত। এ নিয়ে বলতেই গিয়ে একযোগে বিজেপি ও কমিশনের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছেন ৮৩ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কাউন্সিলর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে লড়াইতে নেমেছেন, তার অন্যতম সঙ্গ হিসেবে এই হোর্ডিং তাৎপর্যপূর্ণ বলে দাবি জোড়াফুলের নেতাদের।

গেরুয়া শিবির অবশ্য এই হোর্ডিংকে অশালীন এবং অমার্জনীয় অপরাধ বলে দাবি করেছে। তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ৫০ নম্বর ওয়ার্ড বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ। ভারতের গণতন্ত্রে নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। তাকে অপমান করেছে তৃণমূল। ভয় পেয়ে এই আক্রমণ নির্বাচন কমিশনারকে। দাবি পদ্ম শিবিরের। 

ওয়াকিবহাল মহলের ধারনা, এই হোর্ডিং স্বাভাবিকভাবেই যে নির্বাচনের আগে কমিশনের নজরে আসবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত ছিল তৃণমূল শিবির। সেই কারণেই হোর্ডিংগুলি এমন জায়গায় দেওয়া হয়েছে যেখানে মানুষের যাতায়াত অনেকটাই বেশি।