Malda: স্যর মোবাইলে আপত্তিকর ছবি পাঠাতেন, এরপরই ছাত্রীর সঙ্গে ভয়ঙ্কর ঘটনা…

Malda: ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়ে জানিয়েছিল ওই শিক্ষক তাকে উত্যক্ত করে। নানা অছিলায় বিরক্ত করে।

Malda: স্যর মোবাইলে আপত্তিকর ছবি পাঠাতেন, এরপরই ছাত্রীর সঙ্গে ভয়ঙ্কর ঘটনা...
প্রতীকী চিত্র।

| Edited By: সায়নী জোয়ারদার

Feb 06, 2023 | 8:48 PM

মালদহ: মোবাইলে আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ছাত্রীকে বিরক্ত করার অভিযোগ। পরিবারের দাবি, সেই অভিমানে আত্মহননের পথ বেছে নেয় ওই ছাত্রী। এরপরই গৃহশিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হবিবপুর (Habibpur) থানা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। গৃহশিক্ষককে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। যদিও ওই শিক্ষকের মায়ের দাবি, তাঁর ছেলেকে ফাঁসানো হয়েছে। একইসঙ্গে তিনি জানান, ঘরে ছেলের বউ, সন্তান রয়েছে। তাঁদের উপরও এই ঘটনা খারাপ প্রভাব ফেলছে। ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়ে জানিয়েছিল ওই শিক্ষক তাকে উত্যক্ত করে। নানা অছিলায় বিরক্ত করে। এমনকী মোবাইল মেসেঞ্জারে খারাপ ইঙ্গিতপূর্ণ মেসেজও করেন। ওই ছাত্রী শিক্ষককে এ ধরনের ঘটনা না ঘটানোর কথাও বলে বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু সে কথা শোনেননি ওই স্যর। উল্টে ওই ছাত্রী ও তার বাড়ির লোকজনকে হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ। মানসিক অবসাদে ওই ছাত্রী এই ঘটনা ঘটায় বলে বাড়ির লোকজনের দাবি।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, “আমার মেয়ে টিউশন পড়ত ওই স্যরের কাছে। উনি মেয়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতেন। মেয়ে আমার ভয়ে, লজ্জায় কিছু বলতে পারত না। শুক্রবার হঠাৎই উনি আমাদের বাড়িতে চড়াও হন। আমাকে, আমার মেয়েকে হুমকি দেন। তাতেই মেয়ে কেমন একটা হয়ে যায়। কান্নাকাটি করতে থাকে, কথাও বলছিল না। এরপর রাতে মেয়ের শরীর বেশি খারাপ হওয়ায় ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যাই। রবিবারই ও আত্মহত্যা করে।”

এ বিষয়ে ওই গৃহশিক্ষকের মায়ের বক্তব্য, “এসবের আমি কিছুই জানি না। আমার ছেলে প্রাইভেট টিউশন পড়ায়। রবিবার সন্ধ্যায় আমাদের ২০-২৫ জন এসে চড়াও হয়। মারধর, ভাঙচুর শুরু করে। পরে পুলিশও আসে। ছেলে-মেয়ের ব্যাপার, কী হয়েছে জানি না। তবে শুনেছি ওদের মেয়েটা নাকি মারা গিয়েছে।” জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষক অন্য এক জায়গায় প্রাইভেট টিউশন দিতেন। সেখানেই এই ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হবিবপুর থানার পুলিশ।