AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee on resignation: ‘আমরা ভোটে হারিনি, আমি ইস্তফা দেব না’, মমতার যুক্তি শুনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বললেন…

প্রাক্তন বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, "সংবিধানের ১৬৪ ধারা বলছে, রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। এক্ষেত্রে বিদায়ী মন্ত্রিসভার মেয়াদ নির্বাচনের ফলাফল আসার পরই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু প্রথা অনুযায়ী, তাঁরা পদত্য়াগ পত্র পৌছনোর পর পুরনো মুখ্য়মন্ত্রীকে নিয়োগ করা যেতে পারে এই দুতিনদিনের জন্য কেয়ার টেকার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে। এখন যদি পদত্যাগ না করলে সমস্যার নেই। এখানেই রাজ্যপাল পরবর্তী পদক্ষেপ করতে পারে। "

Mamata Banerjee on resignation: 'আমরা ভোটে হারিনি, আমি ইস্তফা দেব না', মমতার যুক্তি শুনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বললেন...
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল সুপ্রিমোImage Credit: Facebook
| Updated on: May 05, 2026 | 5:19 PM
Share

কলকাতা: ভবানীপুর, নিজের গড়ে পরাজিত হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল সুপ্রিমোকে হারিয়েছেন। কিন্তু মমতার দাবি, তিনি হারেননি। ভোট লুঠ হয়ে গিয়েছে। সোমবারই গণনা কেন্দ্র থেকে বেরনোর পর তিনি বলেছেন, প্রায় ১০০ বুথের ভোট লুঠ হয়েছে। এরপর আজ সাংবাদিক বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টত জানিয়েদেন তিনি ইস্তফা দেবেন না।

গতকালের পরাজয়ের পর আজ প্রথম মুখ খোলেন মমতা। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন আপনি কী রাজভবন যাবেন? তখনই ক্ষুব্ধ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন যাব রাজভবনে ? আমি যদি শপথ নিতে যেতাম তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে । ভেবেছে আমি পদত্যাগ করতে যাব ? আমি যাব না আমি কেন যাব ? আমরা ভোট হারিনি। আমি ইস্তফা দেব না।”

মমতার আরও দাবি, তাঁকে গণনাকেন্দ্র থেকে মারধর করতে-করতে বের করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “কাউন্টিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি আমাকে পেটে মেরেছে। পিছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে। ধাক্কা দিতে দিতে মারতে মারতে বের করেছে। মহিলা হওয়ার পর আমার সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করেছে এবং অত্যাচার‍ করেছে। আমি ঘুরে দাঁড়াব, বাঘের মতো লড়াই করেছি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা না দিলে কী কী হতে পারে?

প্রাক্তন আমলা জহর সরকার বলেন, “বিধানসভার মেয়াদ আছে। আইনগত মেয়াদ শেষ হবে। আর যেদিন সেটা শেষ হবে তার অস্তিত্ব টিকবে না। নতুন বিধানসভা গঠনের পরিস্থিতি পরিকল্পনা শুরু হবে। এই বিধানসভার যিনি নেত্রী ছিলেন, তাঁর যেই মুহূর্তে বিধানসভার মেয়াদ ফুরনো আসন চলে যাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন প্রক্রিয়ার অঙ্গ। এখনও কমিশন হিসাব নিকেশ করে তারপর তার কপি সিল মেরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাকে পাঠাবে। বিধানসভায় পাওয়ার পর শুরু হবে তাঁদের প্রক্রিয়া। তারা জানে একটা বিধানসভা সেশনের আয়ু ফুরিয়েছে। তখন তারা সার্টিফিকেট অব ইলেকশন ইস্যু করবেন নতুন বিধায়কদের। তখন প্রশ্ন উঠবে, পুরনো আমলের বিধায়ক মানছেন কি মানছেন না।”

প্রাক্তন বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, “সংবিধানের ১৬৪ ধারা বলছে, রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন। এক্ষেত্রে বিদায়ী মন্ত্রিসভার মেয়াদ নির্বাচনের ফলাফল আসার পরই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু প্রথা অনুযায়ী, তাঁরা পদত্য়াগ পত্র পৌছনোর পর পুরনো মুখ্য়মন্ত্রীকে নিয়োগ করা যেতে পারে এই দুতিনদিনের জন্য কেয়ার টেকার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে। এখন যদি পদত্যাগ না করলে সমস্যার নেই। এখানেই রাজ্যপাল পরবর্তী পদক্ষেপ করতে পারে। “

Follow Us