
মুর্শিদাবাদ: বেলডাঙার অশান্তির জল গড়াল হাইকোর্টে। বেলডাঙায় অশান্তি প্রবণ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে। জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার আবেদন জানানো হয়। মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে আগেই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ যদি মামলা দায়ের করা হয়, তাহলে মঙ্গলবারই এই মামলার শুনানি থাকবে।
গত শুক্রবার থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মুর্শিদাবাদ। সূত্রপাত হয় ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুনের অভিযোগে। অভিযোগ, ওই শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে মৃতদেহ জেলায় ফিরতেই উত্তেজনা ছড়ায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তায় অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ জনতা। অবরোধ করা হয় রেলও। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর সংলগ্ন এলাকায় রেললাইন অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে রাখে বিক্ষোভকারীরা। বাঁশে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছলে বচসা বাধে। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান স্থানীয় বাসিন্দারা।
খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয় গণমাধ্যমও। সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতি সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে থাকে একাধিকবার। ঘটনার তিন দিন পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন ইউসুফ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাদের মধ্যে একজন আবার মিম নেতা। হায়দরাবাদের সেই সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক দল। এই মামলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন দাবি আগেই করেছিলেন শুভেন্দু। এবার এই অশান্তির জল গড়ায় আদালতে। আদালতেই ঠিক হবে, আদৌ বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হবে কিনা!