
বহরমপুর: থমথমে গোটা এলাকা। অশান্ত বেলডাঙায় আজও চলছে পুলিশের রুটমার্চ। দু’দিন ধরে জ্বলল বেলডাঙা, কিন্তু কোথায় ছিলেন সাংসদ ইউসুফ পাঠান? কেন তাঁকে দেখা যাচ্ছে না এলাকায়? বারবার প্রশ্নটা তুলেছেন বিরোধীরা। বহরমপুরের সাংসদ যদিও বলছেন, তিনি এলাকাতেই ছিলেন। চাপানউতোরের মধ্যে অবশেষে বেলডাঙায় দেখা গেল ইউসুফকে। নিহত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের বাড়িতেও যান ইউসুফ। কথা বলেন আলাউদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। পাশে থাকার বার্তাও দেন।
একদিন আগেই বহরমপুরে রোড শো করে গিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই অভিষেক বলেছিলেন, “এখানে ইউসুফ আছে। ও আমাকে ফোন করে বলেছে আমি বেলডাঙা যেতে চাই। আমি বলেছি আজকে আমার র্যালি আছে। আজকে আমাদের মিটিংয়ের পর আমাদের বিধায়ক সাংসদ সবাই মিলে আলাউদ্দিন শেখের পরিবারের পাশে গিয়ে দাঁড়াবে।” এরপরই প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সমস্তরকমভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে সে কথাও বলেন। আর্থিক সাহায্য ও মৃতের স্ত্রীকে চাকরির কথাও বলেন।
এরইমধ্যে এবার ইউসুফ ময়দানে নামতেই তা নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে চর্চা। তিনিও মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় আর্থিক সাহায্য ও চাকরির কথা জানান বলে জানা যাচ্ছে। ইউসুফের সঙ্গে ছিলেন বেলডাঙার বিধায়কও। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউসুফ বলেন, “এই ধরনের ঘটনা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। পরিযায়ী শ্রমিক যাঁরা এখান থেকে অন্য রাজ্য কী কাজ করছেন তাঁরা শুধু নিজের জন্য কাজ করছেন না, সেই রাজ্যের সামগ্রিক উন্নতির কাজও হয় তাঁদের দ্বারা। তাই এই ধরনের ঘটনা না ঘটাই ভাল।” তবে তিনি দেরি করে এসেছেন এটা মানতে নারাজ। তাঁর সাফ কথা, “আমি এখানেই ছিলাম। আমাদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধি, বিধায়করা মাঠে নেমে সর্বদাই কাজ করছেন।”