AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Murshidabad: পাকিস্তানে OTP শেয়ার! মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার যুবক

Bengal STF: ছেলের গ্রেফতারিতে মুষড়ে পড়েছেন সুমনের মা মেনকা বিবি। তিনি বলেন, "বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত ছেলে। কীসের জন্য ছেলেকে ধরেছে, আমাদের বলেনি। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সে-ই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই, ছেলে ছাড়া পাক।"

Murshidabad: পাকিস্তানে OTP শেয়ার! মুর্শিদাবাদ থেকে গ্রেফতার যুবক
প্রতীকী ছবিImage Credit: TV9 Bharatvarsh
| Edited By: | Updated on: Feb 22, 2026 | 11:05 PM
Share

মুর্শিদাবাদ: বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে মালদহ থেকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এরই মধ্যে মুর্শিদাবাদে দুই যুবকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সামনে এল। ওই দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। তার মধ্যে একজনকে কয়েকদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবার বহরমপুর থেকে অন্য যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত যুবকের নাম সুমন শেখ।

গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুহাব শেখকে গ্রেফতার করে বেঙ্গল এসটিএফ। তাকে জেরা করে বছর চব্বিশের সুমনের নাম জানতে পারেন তদন্তকারীরা। গতকাল বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। তাকে তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তারপর গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগ, ধৃত ২ জনেই ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার করত।

ধৃত সুমনের পরিবারের দাবি, তাদের ছেলে ডেলিভারির কাজ করত। তবে, তদন্তকারীদের বক্তব্য, ধৃত ২ জনেই সিম কার্ড বিক্রেতা। সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড তুলত। সেই নম্বরগুলি দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। নম্বর ভেরিফাইয়ের জন্য যে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি আসত, সেগুলি পাকিস্তানের ‘হ্যান্ডলারদের’ পাঠিয়ে দিত। বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত। আর ওই সিমগুলি যাঁরা এ দেশে মোবাইলে ব্যবহার করেন, তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রিত হয় পাকিস্তান থেকে।

ছেলের গ্রেফতারিতে মুষড়ে পড়েছেন সুমনের মা মেনকা বিবি। তিনি বলেন, “বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত ছেলে। কীসের জন্য ছেলেকে ধরেছে, আমাদের বলেনি। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সে-ই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই, ছেলে ছাড়া পাক।”

সুমনের বাবা ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। তিনি বাড়ি নেই। সুমনের জেঠু গোলাম হোসেন বলেন, “সুমনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে আমরা জানি না। আমাদের সই করতে বলেছিল, সই করেছি। কাগজে ইংরেজিতে লেখা ছিল। পড়তে পারিনি। আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমরা বহরমপুর গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়েও জানতে পারিনি, ভাইপোকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে।”

এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদহ থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদহের বাসিন্দার। রবিউল বাংলাদেশি।

Follow Us