
মুর্শিদাবাদ: ১১ ফেব্রুয়ারি কোরান পাঠ। তারপর শুরু হবে বাবরি মসজিদের নির্মাণ। এর ঠিক পরদিন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি হুমায়ুনের বাবরি যাত্রা। প্রায় ১০০টি গাড়ি নিয়ে পলাশি থেকে ইটাহার পর্যন্ত এই যাত্রা করা হবে। তাতে নেতৃত্ব দেবেন খোদ ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। শনিবার নিজেই এই গোটা কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন তিনি।
এদিন হুমায়ুন বলেন, “সহস্র মৌলানাদের দিয়ে কোরান পাঠ হবে। দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ শুরু হবে মসজিদের নির্মাণকাজ। হবে ঢালাই। এরপর দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার শুরু হবে বাবরি যাত্রা। ১০০টি চার চাকা গাড়ি থাকবে। প্রতিটিতে চালককে নিয়ে ৬ জন করে থাকবেন। মোট ৬০০ জন।” কিন্তু এই বাবরি যাত্রার কারণ কী? হুমায়ুন জানিয়েছেন, “কিছু মানুষ বেলডাঙার বাবরি মসজিদ নিয়ে অপপ্রচার করছেন। এর আগেও একজন অপপ্রচার করেছিলেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হন। আবার করলে ব্যর্থ হবেন। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে এবং বাবরি নির্মাণ নিয়ে মানুষকে জানাতেই এই যাত্রা করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “মোট ২৬৫ কিলোমিটার যাত্রা। নদিয়ার পলাশি থেকে একেবারে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার পর্যন্ত যাত্রা হবে। যাত্রাপথে যে যে এলাকায় জনবসতি, দোকান, বাজার-হাট পড়বে আমরা সেখানে গাড়ি থেকে নেমে পায়ে হেঁটে যাত্রা করব।” মাস দুয়েক আগেই বেলডাঙার ফাঁকা ময়দানে জমি বাছাই করে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর করেছেন হুমায়ুন। বিরাট জাঁকজমক করে হয়েছিল সেই আয়োজন। এবার সেই ভিত্তিপ্রস্তরের পর নির্মাণকাজ শুরু করছেন তিনি। সেই সূত্র ধরেই হবে বাবরি যাত্রা। একেবারে দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ জুড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।