
মুর্শিদাবাদ: শুক্রবারের পর শনিবারও উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। আর সেখানকার পরিস্থিত ঠিক কতটা ভয়াবহ সেই কথাই বললেন ভরতপুরের বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। ইতিমধ্যেই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে ট্রেন চলাচল। কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ রয়েছে। ভেঙে ফেলা হয়েছে রেলগেট। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছলেন হুমায়ুন কবীর। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বচসা তাঁর।
হুমায়ুন কবীর বলেন, “বেলডাঙার লোকাল প্রশাসন-পুলিশ তাঁরা সক্রিয় নয়। ওঁরা সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে। কারণ, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ অত্যন্ত হতদরিদ্র মানুষগুলো বাইরে আক্রান্ত হচ্ছে। আর তাঁদের জনরোষ এসে NH-এর উপর পড়ছে। গতকাল ৭ ঘণ্টা অবরোধ ছিল। গতকাল বিহারে আরও একটা ছেলে মার খেয়েছে। সে বেলডাঙা হাসপাতালে ভর্তি। কেউ রটিয়েছে সেও মারা গেছে। সেই কারণে কিছু মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করছেন। কার নির্দেশে এরা NH-এর মতো রাস্তা অবরোধ করছেন জানি না।”
আজও সাংবাদিকদের টার্গট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরো ধ্বংস করা হচ্ছে। , ক্ষিপ্ত জনতা নেমেছেন রাস্তায়। হাতে রয়েছে বাঁশ। রাস্তার ধারে থাকা যাবতীয় ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলা হচ্ছে। লাথি মারা হচ্ছে তার উপরে। এলাকায় একজনও পুলিশকেও দেখা গেল না। এই ঘটনায় একজনও এখনও গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়তে জানা যাচ্ছে, কলকাতা থেকে সেখানে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF।