Beldanga Chaos: শনিবারও বিভীষিকাময় বেলডাঙা, এবার ভাঙা হল লেভেল ক্রসিং,বন্ধ কৃষ্ণনগর
Murshidabad: গতকাল যখন পরিস্থিতি তপ্ত হয়েছিল সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে দফায়-দফায় বৈঠক হয়। বিক্ষোভকারীদের বেশ কিছু আবেদন মেনে নেন প্রশাসন। খোলা হয় কন্ট্রোল রুম। তবে তাতে যে খুব একটা লাভের লাভ কিছু হয়নি তা বলাই যায়। আজ সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি।

মুর্শিদাবাদ: ভীন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু। শুক্রবারের পর শনিবারও উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। পথে শ’য়ে-শ’য়ে মানুষজন। গতকাল আক্রান্ত হয়েছেন সাংবাদিক। পথ অবরোধ থেকে ট্রেন আটকানো লাগাতার চলছে সেখানে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন জনতা। সড়কের যে সব কাজ চলছিল সেই সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ভাঙচুর করা হয়েছে রেল গেট। আটকে রয়েছে ট্রেন। বন্ধ লালগোলা-কৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচল। এরপরই প্রশ্ন উঠছে এভাবে প্রতিবাদ হয়? এটাই কি প্রতিবাদের ছবি?
তবে শুধু শুক্রবার নয়,আজও টার্গেট করা হচ্ছে সাংবাদিকদের। মারধর করা হচ্ছে তাঁদের। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ক্ষিপ্ত জনতা নেমেছেন রাস্তায়। হাতে রয়েছে বাঁশ। রাস্তার ধারে থাকা যাবতীয় ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলা হচ্ছে। লাথি মারা হচ্ছে তার উপরে। এলাকায় একজনও পুলিশকেও দেখা গেল না। কোথায় গেল পুলিশ উঠছে প্রশ্ন।
গতকাল যখন পরিস্থিতি তপ্ত হয়েছিল সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে দফায়-দফায় বৈঠক হয়। বিক্ষোভকারীদের বেশ কিছু আবেদন মেনে নেন প্রশাসন। খোলা হয় কন্ট্রোল রুম। তবে তাতে যে খুব একটা লাভের লাভ কিছু হয়নি তা বলাই যায়। আজ সকাল থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “রাজ্যে প্রশাসন নেই তাই হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টে অবধি বন্ধ থাকবে। কারণ, তাঁর যাতায়াতের অসুবিধা হবে। এই সময়টা সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে এই বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো আর কোথাও ভাঙচুর হবে তার জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।”
