Bayron Biswas: ‘আমাকেও লাইনে দাঁড়াতে হবে?’, শুনানির নোটিস পেতেই ক্ষোভে ফাটলেন বায়রন

Bayron Biswas Gets Hearing Notice: একা বায়রন নয়, সাম্প্রতিককালে শুনানির জন্য ডাক পেয়েছেন একঝাঁক নামজাদা ব্য়ক্তিত্ব। যা ঘিরে প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার শুনানির নোটিস পেয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ অধ্যাপক সামিরুল ইসলামকে। এছাড়াও নোটিস পেয়েছেন অভিনেতা তথা রাজনীতিক দেবও।

Bayron Biswas: আমাকেও লাইনে দাঁড়াতে হবে?, শুনানির নোটিস পেতেই ক্ষোভে ফাটলেন বায়রন
বায়রন বিশ্বাস Image Credit source: নিজস্ব চিত্র

| Edited By: Avra Chattopadhyay

Jan 18, 2026 | 2:35 PM

সাগরদিঘি: SIR-এর হাত থেকে রেহাই পেলেন না সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসও। শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর কাছেও চলে গেল হিয়ারিং নোটিস। আগামী ২৪ জানুয়ারি সামশেরগঞ্জ বিডিও অফিসে হাজিরা দিতে হবে তাঁকে। এদিন বিধায়কের হাতে নোটিস তুলে দিয়েছেন খোদ বিধায়ক। তবে এই হিয়ারিং নোটিস পেয়েই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন বায়রন বিশ্বাস। জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হওয়া সত্ত্বেও কীভাবে তাঁকে শুনানির নোটিস পাঠানো হল, প্রশ্ন তুলেছেন বায়রন। এদিন তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ছেলেখেলা করছে। ভয় তৈরি করছে।’

তাঁর সংযোজন, ‘আমার বাবা বিশিষ্ট শিল্পপতি, এলাকায় আমাদের পরিচয় রয়েছে। আমাদেরকেই নোটিস পাঠিয়ে দিল, তা হলে সাধারণের কী অবস্থা ভাবুন! এই সবটাই বিজেপির চক্রান্ত। ওরা আগেই কমিশনকে একটা টার্গেট দিয়ে দিয়েছিল। আমার সমস্ত নথি, পরিচয়পত্র ও রেকর্ড প্রশাসনের কাছে রয়েছে। তারপরেও কেন আমাকে হিয়ারিং লাইনে দাঁড়াতে হবে?’

একা বায়রন নয়, সাম্প্রতিককালে শুনানির জন্য ডাক পেয়েছেন একঝাঁক নামজাদা ব্য়ক্তিত্ব। যা ঘিরে প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার শুনানির নোটিস পেয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ অধ্যাপক সামিরুল ইসলামকে। এছাড়াও নোটিস পেয়েছেন অভিনেতা তথা রাজনীতিক দেবও।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভায় শূন্য হয়ে গিয়েছিল কংগ্রেস। সেই সময় বায়রনের হাত ধরে বিধানসভায় জায়হা পেয়েছিল তাঁরা। সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেসের জয়ের পর তৎকালীন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেছিলেন, ‘তৃণমূলকে বধিবে যে সাগরদিঘিতে বাড়িছে সে।’ কিন্তু সেই জয়ের মাত্র তিন মাসের মাথায় ২০২৩ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলের হাত ধরেন বায়রন। কংগ্রেসের কাছে রাতারাতি হয়ে ওঠেন ‘বিশ্বাসঘাতক’।