
মুর্শিদাবাদ: ভোটের বাংলায় মুর্শিদাবাদে বড়সড় দলবদল। একসময়ে নিজেদের গড়ে শক্তি বাড়াল কংগ্রেস। তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন জেলা পরিষদ সদস্য। এছাড়া পঞ্চায়েত প্রধান-সহ শতাধিক তৃণমূল কর্মী ভোটগ্রহণের প্রাক্কালে হাত শিবিরের হাত ধরলেন। রানিনগরের তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন দলবদলকারী তৃণমূল নেতারা। মঙ্গলবার এই যোগদান কর্মসূচির পরই তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। মুর্শিদাবাদ থেকে তৃণমূলকে খেদিয়ে বিদেয় করবেন বলে হুঙ্কার দিলেন।
রানিনগর বিধানসভা এলাকায় এদিন বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল। তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন তৃণমূল পরিচালিত পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান দিলশাদ হোসেন সহ-১৪ জন সদস্য। এছাড়াও কংগ্রেসে যোগদান করলেন তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তফা কামাল ও শতাধিক তৃণমূল কর্মী। এদিন দুপুরে বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস ভবনে যোগদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেখানেই অধীর চৌধুরীর হাত ধরে পদ্মশিবির ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা।
তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল সৌমিক হোসেন এবারও রানিনগরে প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রধান দিলশাদ হোসেন এদিন বলেন, “আমাদের উপর বিধায়কের চাপ ছিল। তাঁর মত নিয়ে কাজ করতে হত। কোনও স্বাধীনতা ছিল না।” ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তিনি জানিয়েছিলেন বলে জানান।
আর রানিনগরে কংগ্রেসের শক্তি বাড়ার পর তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে অধীর বলেন, “বহরমপুরকে পাল্টাব। মুর্শিদাবাদকে পাল্টাব। তৃণমূলকে মুর্শিদাবাদ থেকে খেদিয়ে তাড়াব আমরা। এতটুকুও ভয় পাবেন না। কংগ্রেসকে ভাঙিয়ে তৃণমূল এখানে শক্তিশালী হয়েছে। সেই তাঁরা যখন ফিরে আসছেন, তখন এখানে কংগ্রেস শক্তিশালী হবে। আগামিদিনে আমাদের প্রার্থীদের জেতান।”