MD Salim: প্রয়োজনে ধর্মগুরুদের কাছে যেতে হবে! ভোটের আগে কী কৌশলী বার্তা দিতে চাইলেন সেলিম?
Murshidabad: সিপিএম বরাবরই অভিযোগ এসেছে তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলই ধর্মের রাজনীতি করে। যা ভবিষ্যতের সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। যদিও, মুখে এই বার্তা দিলেও তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হুমায়ুনের কবীরের সঙ্গে সেলিমের বৈঠক নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি।

মুর্শিদাবাদ: সামনে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে কর্মীদের ‘চাঙ্গা’ করতে মাঠে নেমে পড়েছে সিপিএম। আইএসএফ-এর সঙ্গে জোট হবে কি হবে না এই আবহের মধ্যে এবার মুর্শিদাবাদে সিপিএম কর্মী ও নেতাদের বড় বার্তা দিলেন রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। সূত্রের খবর, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাস্ত করতে দরকারে ধর্মগুরুদের কাছে যাওয়ারও বার্তা দিয়েছেন সেলিম। কিন্তু কেন? কীসের জন্য এমন বার্তা?
সিপিএম বরাবরই অভিযোগ এসেছে তৃণমূল ও বিজেপি দুই দলই ধর্মের রাজনীতি করে। যা ভবিষ্যতের সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ঙ্কর। যদিও, মুখে এই বার্তা দিলেও তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হুমায়ুনের কবীরের সঙ্গে সেলিমের বৈঠক নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। যে হুমায়ুন সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেছেন তাঁর সঙ্গে কেন বৈঠক সেই নিয়ে দলের অন্দরেই উঠেছিল প্রশ্ন। তবে আপাতত সেই বিতর্কে এখন ইতি।
জেলায়-জেলায় কর্মী সভা করছেন সেলিম। মঙ্গলবারও তেমনই কর্মী সভা ছিল মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। সূত্রের খবর, সেখান থেকে তিনি জানিয়েছেন দরকারে এই দুই শক্তিকে পর্যুদস্ত করতে ধর্মগুরুদের শরণাপন্ন হওয়া। যাতে তাঁরা সাধারণ মানুষকে বোঝান। এ প্রসঙ্গে ভিয়েতনামের যুদ্ধ ও হো-চি-মিনের প্রসঙ্গও তোলেন। সূত্রের খবর, সেলিম বলেছেন, সেই সময় যে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা স্বাভাবিক করতে বৌদ্ধমঠে গিয়েছিলেন হো-চি-মিন। সেই রকমই সাম্প্রদায়িক বিভাজন করা দুই রাজনৈতিক দল বিজেপি-তৃণমূলকে পরাস্ত করতে, বর্তমানের ফ্যাসিবাদকে পরাস্ত করতে প্রয়োজনে সেই সব জায়গায় যেতে হবে। কিন্তু সেলিমের এই বার্তা কি কোনও রাজনৈতিক চাল? প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্লেষকদের একাংশও। ভোটের আগে ধর্মগুরুদের কাছে গিয়ে কি ধর্মনিরপেক্ষ সিপিএম আদতে নিজের ভোটের অঙ্ক বাড়াতে চাইছে?
সিপিআইএমের ডোমকল এরিয়া কমিটির সম্পাদক মোস্তাফিজুর রানা বলেন, “যে সময় ভিয়েতনাম যুদ্ধ হয়েছিল তখন মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে জোড়ার ক্ষেত্রে হো-চি-মিনের ভূমিকা ছিল। এখন তৃণমূল ও বিজেপি যে ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরির চেষ্টা করছে সেটা ভেঙে দিতে প্রয়োজনে সব সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে যেতে হবে।”
