
নদিয়া: এসআইআর প্রক্রিয়ার শুরু থেকে বিএলও-দের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নানা সময় বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিএলও-রা। এবার এসআইআর-র শেষ পর্যায়ে বেধড়ক মারধরে মাথা ফাটল এক বিএলও-র। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কালীগঞ্জে। সাহেব আলি শেখ নামে আক্রান্ত বিএলও এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সাহেব আলি শেখ কালীগঞ্জ ব্লকের ২২৫ নম্বর পার্টের বিএলও। তাঁর বাড়ি রাওতারা গ্রামে। কিন্তু, ওই বিএলও-র উপর হামলা চালানো হল কেন? জানা গিয়েছে, এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন একটি পরিবারের সদস্যরা। কারণ, ভোটার তালিকায় বাবার থেকে মেয়ের বয়স ৫ বছর বেশি দেখানো হয়েছিল।
আক্রান্ত বিএলও-র জামাইবাবু মহম্মদ মন্টু শেখ বলেন, “বাবার বয়সের থেকে মেয়ের বয়স বেশি ছিল ভোটার তালিকায়। সেজন্য কাগজ ফেরত আসে। শুনানিতে ডাক পড়ে। গতকাল এসে ওরা জানতে চায়, কী হয়েছে? আমার শ্যালক জানায়, আমার তো কিছু হাত নেই। তখন আয়াতোলা শেখ ও তাঁর পরিবারের লোকজন কাঠ দিয়ে বেধড়ক মারধর করে।” প্রথমে কালীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে শক্তিনগরে পাঠানো হয়।
ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করে রাজ্য বিজেপির সহসভাপতি তাপস রায় বলেন, “এটা খুব দুর্ভাগ্য ও দুঃখের বিষয়। বারবার বলে দেওয়া সত্ত্বেও কারও কোনও নিরাপত্তা নেই বাংলায়। বিএলও-দের তো নেই-ই। বিএলও-দের দিয়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এইসব কাজ করাচ্ছে। আবার মেরে মাথা ফাটিয়ে দিচ্ছে। অভিযোগ থাকতেই পারে। সেটা যাদের দেখার কথা, তারা দেখবে। পশ্চিমবঙ্গে আইনের শাসন নেই। পুলিশও নিষ্ক্রিয়। এখানে ওরাই আদালত। ওরাই বিচারক।”