Nadia: শান্তিপুুরে গ্যারাজ থেকে উদ্ধার তাঁতির ঝুলন্ত দেহ, ফের উঠে আসছে SIR তত্ত্ব

SIR in Bengal: পরিবারের সদস্যরা বলছেন, হিয়ারিংয়ের নোটিস আসতেই খাওয়া-দাওয়া একপ্রকার ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাই বলে যে তিনি এত বড় কাণ্ড করে ফেলবেন তা ভাবতেই পারছেন না কেউই। শান্তিপুরের কামারপাড়ায় যে ঘরে তিনি তাঁত বোনেন সেই গ্যারাজেই তিনি গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ।

Nadia: শান্তিপুুরে গ্যারাজ থেকে উদ্ধার তাঁতির ঝুলন্ত দেহ, ফের উঠে আসছে SIR তত্ত্ব
শোকের ছায়া পরিবারে Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 17, 2026 | 2:32 PM

শান্তিপুর: তাঁত শিল্পীর আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর শান্তিপুরে। এতেও জুড়ে গিয়েছে এসআইআর তত্ত্ব। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, এসআইআর নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ছিলেন সুবোধ দেবনাথ নামে ৫৬ বছরের ওই তাঁতি। তাঁর বাড়ি শান্তিপুর থানার ঢাকা পাড়া এলাকায়। বাড়ি থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। বাড়িতে তাঁর অসুস্থ স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছেন। তীব্র অনটনের মধ্যেই তাঁত বুনে কোনওরকমে সংসার চালাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। এরইমধ্যে আসে এসআইআর-র নোটিস। 

সূত্রের খবর, ২০১০ সালে ভোটার তালিকায় নাম ওঠে সুবোধ দেবনাথের পরিবারের। যেহেতু ২০০২ সালের সঙ্গে কোনও লিঙ্ক পাওয়া যায়নি সে কারণেই এসেছিল শুনানির নোটিস। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, এই নোটিস পাওয়ার পর থেকেই তীব্র আতঙ্কে ছিলেন তিনি। অতিরিক্ত চিন্তা করে মানসিক অবসাদেও ভুগতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের সঙ্গেও লাগাতার এ বিষয়ে কথা বলেন। উদ্বেগও প্রকাশ করতে পারেন। জেলে যেতে হবে ভেবে আশঙ্কাও প্রকাশ করেছিলেন সুবোধবাবু, এমনটাই জানাচ্ছেন প্রতিবেশীরা। 

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, হিয়ারিংয়ের নোটিস আসতেই খাওয়া-দাওয়া একপ্রকার ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তাই বলে যে তিনি এত বড় কাণ্ড করে ফেলবেন তা ভাবতেই পারছেন না কেউই। শান্তিপুরের কামারপাড়ায় যে ঘরে তিনি তাঁত বোনেন সেই গ্যারাজেই তিনি গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। পুলিশই মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। থানায় অভিযোগ জানাবেন বলে জানালেও এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। তবে তিনি এসআইআর আতঙ্কেই আত্মহত্যা করেছেন নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও ঘটনা রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।