Kalyani: বরানগর থেকে কল্যাণীতে পিকনিক করতে গিয়ে বাবা-মায়ের সামনেই শেষ শিশু
Kalyani Accident: সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শিশুটির বয়স চার বছর। বাড়ি বরানগরের নপারা এলাকায়। বরানগর থেকে বাসে বাবা মায়ের সঙ্গে সকালেই কল্যাণীতে এসেছিল। ব্রেক ফাস্টের পর টোটোয় মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন বাবা-মা। বাম্পারের উপর দিয়ে টোটো যাওয়ার সময় আচমকা ঝাঁকুনিতে চার বছরের শিশুটিকে রাস্তায় পড়ে যায়।

নদিয়া: ছুটির দিন! বাবা-মায়ের সঙ্গে পিকনিক করতে এসেছিল কল্যাণীর পিকনিক গার্ডেনে। পিকনিকের মাঝে ঘুরতেও বেরিয়েছিল টোটোয় চেপে। পথে মর্মান্তিক ঘটনা। মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক শিশুর। বরানগর থেকে বাসে করে কয়েকজন কল্যাণীতে পিকনিক করতে যান। এরপর টোটো করে ঘুরতে বের হন। স্পিড ব্রেকারে ব্রেক কষেন টোটোচালক। আর কোল থেকে ছিটকে পড়ে শিশু। পিছন থেকে দ্রুত গতিতে আসা বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে কল্যাণী জওহরলাল নেহেরু মেডিক্যাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শিশুটির বয়স চার বছর। বাড়ি বরানগরের নপারা এলাকায়। বরানগর থেকে বাসে বাবা মায়ের সঙ্গে সকালেই কল্যাণীতে এসেছিল। ব্রেক ফাস্টের পর টোটোয় মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন বাবা-মা। বাম্পারের উপর দিয়ে টোটো যাওয়ার সময় আচমকা ঝাঁকুনিতে চার বছরের শিশুটিকে রাস্তায় পড়ে যায়।
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে কথা বলার শক্তি হারিয়েছেন বাবা-মা। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “শিশুটি টোটোর পিছনের সিটে বসেছিল। একাই বসে। কিন্তু বোধহয় কেউ ধরে রাখেনি। আমাদের এই রাস্তায় যাতে জোরে গাড়ি চলতে না পারে, তাই প্রচুর স্পিড ব্রেকার রয়েছে। বাম্পারের ওপর টোটো চালক ব্রেক চাপেন, আর মেয়েটা ছিটকে পড়ে যায়। আমরা দৌড়ে আসি। কিন্তু পিছন থেকে বাস চলে আসে, আর সব শেষ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিছুই করা গেল না।”
