BSF Jawan’s death: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানের গুলিতে মৃত্যু, কেন?
সীমান্ত রক্ষা বা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের নিজেদের রাইফেলের গুলিতে মৃত্যু হওয়ার ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে মাঝেমধ্যেই সংবাদ শিরোনামে আসে। এর আগে ২০২২ সালে ১১৭ নম্বর ব্যাটালিয়নের দুই বিএসএফ জওয়ানের মধ্যে তীব্র বচসা হয়। তারপর এক জওয়ান তাঁর সার্ভিস রাইফেল থেকে অন্যজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালান।

নদিয়া: মর্মান্তিক দুর্ঘটনা নদিয়ায়। কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু এক বিএসএফ (BSF) জওয়ানের। তবে এটি স্রেফ দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু তা এখনও জানা যায়নি। তবে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আর পাঁচটা দিনের মতোই নিজের ডিউটি করছিলেন ওই জওয়ান। হঠাৎ বন্দুকের নল থেকে ছিটকে বেরিয়ে যায় গুলি। আর তারপরই মর্মান্তিক পরিণতি। কিন্তু এর পিছনে রহস্য কাটছে না।
ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মুরুটিয়ার রাণীনগর ক্যাম্পে। জানা গিয়েছে, গতকাল সন্ধের আগে ক্যাম্পে কর্তব্যরত অবস্থায় নিজের বন্দুক থেকে গুলি বেরিয়ে জখম হন ওই বিএসএফ জওয়ান। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বিএসএফ সূত্রে খবর, মৃত ওই জওয়ানের নাম বৈভব আন্না মণ্ডলে (৩৪)। তিনি বিএসএফের ১১ নম্বর ব্যাটেলিয়ানে কর্মরত ছিলেন। বাড়ি মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলার খাঁওকি এলাকায়। শনিবার তিনি ক্যাম্প পাহারার সেন্টির দায়িত্বে ছিলেন। এমন সময় হাতে থাকা রাইফেলের নল চোয়ালে গুলি লাগে। তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত্যু নাকি দুর্ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে মুরুটিয়া থানার পুলিশ।
সীমান্ত রক্ষা বা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানদের নিজেদের রাইফেলের গুলিতে মৃত্যু হওয়ার ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে মাঝেমধ্যেই সংবাদ শিরোনামে আসে। এর আগে ২০২২ সালে ১১৭ নম্বর ব্যাটালিয়নের দুই বিএসএফ জওয়ানের মধ্যে তীব্র বচসা হয়। তারপর এক জওয়ান তাঁর সার্ভিস রাইফেল থেকে অন্যজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। পরে তিনি নিজেও আত্মঘাতী হন। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালে কোচবিহারের শীলতকুচি এলাকায় এক জওয়ান নিজের রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে নিজের এক সহকর্মীকে খুন করেন বলে অভিযোগ আসে। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তবে, গতকালের ঘটনার পিছনে কী কারণ রয়েছে তা জানা যায়নি।
