AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Shantipur: নিজের দোকান থেকে সব সোনার গয়না চুরি করলেন নিজেই! শান্তিপুরের আজব কাণ্ডে চোখ কপালে পুলিশের

সিসিটিভি চেক করার কোনও উপায় ছিল না, কারণ দোকানের মালিক জানিয়েছেন, সিসিটিভির হার্ড ডিস্ক নিয়ে পালিয়েছে চোর। শান্তিপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করার পর দোকান থেকে উদ্ধার হয় দুটি গোপন ক্যামেরা। শুরু হয় দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ।

Shantipur: নিজের দোকান থেকে সব সোনার গয়না চুরি করলেন নিজেই! শান্তিপুরের আজব কাণ্ডে চোখ কপালে পুলিশের
Image Credit: AI Generated Image
| Edited By: | Updated on: Jan 11, 2026 | 2:21 PM
Share

শান্তিপুর: রাতের অন্ধকারে সোনার দোকানের শাটার ভেঙে চুরি। তাও আবার বাজারের মধ্যে। রীতিমতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা। দোকানের মালিক থানায় গিয়ে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, তাঁর দোকান থেকে চুরি যাওয়া সোনার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। পাশাপাশি তিনি জানান, ড্রয়ারে এক লক্ষ টাকা নগদ ছিল, সেটাও নিয়ে পালিয়েছে চোরের দল। এই অভিযোগ শুনে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে নেমে চোখ কপালে পুলিশের, এমনও হয়!

সিসিটিভি চেক করার কোনও উপায় ছিল না, কারণ দোকানের মালিক জানিয়েছেন, সিসিটিভির হার্ড ডিস্ক নিয়ে পালিয়েছে চোর। শান্তিপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করার পর দোকান থেকে উদ্ধার হয় দুটি গোপন ক্যামেরা। শুরু হয় দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ। মালিকের কথায় অসঙ্গতি দেখেই সন্দেহ হয়। শেষ পর্যন্ত ওই দোকানের মালিকের বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় ৫০ লক্ষ টাকার গয়না। নিজের দোকানে নিজেই চুরি! কেন এমন ঘটনা?

পুলিশ প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে ব্যাঙ্কে ৫০ লক্ষ টাকার ঋণ রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর। সেই ঋণ মেটাতেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই সোনার দোকানের মালিক। শুধু পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোই নয়, সংবাদমাধ্যমকে ডেকে দোকানে চুরি হওয়ার গল্প ফেঁদেছিলেন ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ী। শেষ পর্যন্ত স্বীকার করেছিলেন সবটা।

সোনার দোকানের মালিক এবং তার ছেলেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ওই দোকানের এক কোটি টাকার বিমা করা ছিল। সেই বিমার টাকা নিয়ে ঋণ শোধ করার ছক কষেছিলেন দোকানের মালিক।

এমন পরিকল্পনা নতুন নয়। এর আগে এই শান্তিপুর স্টেশন বাজার সংলগ্ন এলাকায় এক পোশাক ব্যবসায়ী দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।। সে ক্ষেত্রেও এই একই কারণ উঠে আসে। অভিযোগকারীরা নিজেরাই স্বীকার করেন পুলিশের কাছে যে এমন ঘটনা মিথ্যা ছিল।