AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Basirhat: ২০২৩ সাল থেকে পাকিস্তানের জেলে বন্দি বাংলার ২ ছেলে, অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন পরিবারের লোক

Basirhat: কিন্তু এতেও কাজ না হওয়ায় পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী গ্রেফতার করে। এরপর আজ ৩ বছর তাঁরা পাকিস্তানের ল্যান্ডি জেলে বন্দি হয়ে রয়েছেন। তাঁদের দু'টি পরিবারের থেকে রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় থানা সব জায়গায় একাধিকবার জানিয়ো আজ পর্যন্ত কোনও রকম সুরাহা হয়নি।

Basirhat: ২০২৩ সাল থেকে পাকিস্তানের জেলে বন্দি বাংলার ২ ছেলে, অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন পরিবারের লোক
লাল্টু দাস ও বিকাশ দাসImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 01, 2026 | 3:31 PM
Share

বসিরহাট: নাম রয়েছে ভোটার লিস্টে। এসআইআর প্রক্রিয়ায় কার্যত ‘পাস’ করে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু তাতে কী? আদৌ ভোট দিতে পারবেন তো? উঠছে প্রশ্ন। কারণ,পাকিস্তানের জেলে বন্দি রয়েছেন বাংলার ছেলে। আর তার জেরে উৎকন্ঠায় রয়েছে পরিবার। ঘটনাটি বসিরহাটের ২ নম্বর ব্লকের চাঁপাপুকুর পঞ্চায়েতের মোমিনপুরের ঘটনা।

বন্দি হওয়া ওই দুই ব্যক্তির নাম লাল্টু দাস ও বিকাশ দাস। তাঁরা পেশায় মৎস্যজীবী। গত তিন বছর আগে গুজরাটের একটি ঠিকাদার সংস্থার হয়ে তাঁরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। ভুলবশত ঢুকে পড়েন পাকিস্তানের জলসীমায়। ব্যাস তারপর থেকে আর ঘরে ফেরা হয়নি এই দু’জনের।

২০২৩ সালে ১ জানুয়ারি ৯ জনের একটি দল সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল। ক্লান্তিতে গভীর রাতে ঘুমিয়ে পড়ে ট্রলারের সকলে। তখনই ট্রলার ভাসতে-ভাসতে চলে যায় পাকিস্তানের সীমানায়। আর এখানেই তৈরি হয় সমস্যা। পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাঁদেরকে গ্রেফতার করে। কিন্তু তাঁরা বহুবার বহু রকমভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করে।

কিন্তু এতেও কাজ না হওয়ায় পাকিস্তানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী গ্রেফতার করে। এরপর আজ ৩ বছর তাঁরা পাকিস্তানের ল্যান্ডি জেলে বন্দি হয়ে রয়েছেন। তাঁদের দু’টি পরিবারের থেকে রাজ্য সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় থানা সব জায়গায় একাধিকবার জানিয়ো আজ পর্যন্ত কোনও রকম সুরাহা হয়নি। দু’টি পরিবারের কাতর আবেদন তাঁদের ঘরের ছেলেদের ঘরে ফিরিয়ে দেওয়া হোক অবিলম্বে।

আর এই বিষয়ে রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিক কল্যাণ বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম বলেন, “আমি জানতাম না। আমি পুরো কাগজপত্র নিয়ে খুব শীঘ্রই বিভিন্ন দফতরে জমা দেব যাতে এই ছেলে দু’টিকে ফিরিয়ে আনা হয়।” লালটু দাসের দাদা বলেন, “সেই ২০২৩ সালে আটকে আছে। অনেক চেষ্টা করছি যাতে ওদের ফিরিয়ে আনা যায়।”