
উত্তর ২৪ পরগনা: ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই একাধিক জায়গায় দলীয় কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষের ছবি ধরা পড়ছে। সে শাসকদলের হোক কিংবা বিজেপির! কিন্তু এবার বিজেপি বৈঠকের মধ্যেই ব্যাপক সংঘর্ষ। এমনকি প্রার্থীকেও মারতে উদ্যত হন কর্মীরা। অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা খড়দহে। খড়দহে বিজেপির মণ্ডল সভাপতিদের মিটিংয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ। আহত ৮ জন। তাঁদের মধ্যে ২ জনের মধ্যে আশঙ্কাজনক। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপির অন্তর্কলহে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। মুখে কুলুপ এঁটেছে বিজেপির নেতৃত্ব।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খড়দহে একটি বিয়ে বাড়ি লজে বিজেপির মণ্ডল সভাপতিদের বৈঠক চলছিল। মিটিং চলাকালীন দলীয় কর্মীরা প্রথমে একে অপরের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। ভোটের কাজ কর্ম নিয়ে প্রার্থী ড: কল্যাণ চক্রবর্তীকে মারধর করতে গেলে অপর পক্ষ বাধা দেয়। উলটে তাঁদের বেশ কয়েকজনকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। পরে তা থেকেই হাতাহাতি। কিল-ঘুষি থাপ্পড়ের পাশাপাশি বাঁশ-লাঠি নিয়ে হামলা চলে বলে অভিযোদ। তাতে দুজন ব্যাপকভাবে আহত হন। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্ততপক্ষে ৮ জন। এমনকি ভোটের সময় নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূলের।
,খড়দহ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, “খড়দহ মণ্ডলের এক সভাপতি ছিলেন, ভক্ত বিশ্বাস। তাঁর ইচ্ছা ছিল ভোটে দাঁড়ানোর। কিন্তু প্রার্থী হয়েছেন কল্যাণ চক্রবর্তী। এই দুজনের মধ্যে দুটো গোষ্ঠী হয়ে গিয়েছে। মূল কারণ বখরা নিয়ে। কিন্তু তাতে লাভ হল তৃণমূলেরই।”