
হাড়োয়া: সকালেই জানা গিয়েছিল খবরটা। বিকালেই হবে ভোট ঘোষণা। কার আগেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হাড়োয়া। তৃণমূল কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিল গোটা এলাকা। দুই দলের পার্টি অফিসে হামলা, পাল্টা হামলার অভিযোগ। আইএসএফ কর্মীদের অতর্কিত হামলায় তাঁদের দলের এক পঞ্চায়েত সদস্য-সহ তিন নেতা-কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে আইএসএফও তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলছে।
হাড়োয়া থানার অন্তর্গত জ্যাঙ্গাললাটি গ্রামেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের দাবি, প্রথমে দুই দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বচসা শুরু হয়, যা মুহূর্তের মধ্যে চরম আকার ধারণ করে। তৃণমূলের অভিযোগ, আইএসএফ কর্মীরা জোরপূর্বক তাদের স্থানীয় পার্টি অফিস ভাঙচুরের চেষ্টা করে। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলেই তৃণমূল কর্মীদের ওপর চড়াও হয় তারা।
আক্রান্ত স্থানীয় ২১০ নম্বর বুথের তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সিরাজুল ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, আইএসএফ কর্মী নজরুল মোল্লা এবং বাবলু মোল্লা দলবল নিয়ে আচমকাই তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এই অতর্কিত হামলায় পঞ্চায়েত সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও তাঁর দুই সহযোগী গুরুতর আহত হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে।
অন্যদিকে, তৃণমূলের তোলা এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় আইএসএফ নেতৃত্ব। উল্টে তাঁদের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই প্রথমে আইএসএফ-এর পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে এবং তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা করেছে।