Basirhat: ‘সদ্যোজাতকে মৃত বলে জানিয়ে দিয়ে প্লাস্টিকে মুড়িয়ে পরিবারের হাতে তুলে দিল নার্সিংহোম’! পাঁচ ঘণ্টা পর নড়ে উঠল সেই সদ্যোজাতই
Basirhat: পরিবারের দাবি, ৪০০ টাকার বিনিময়ে সদ্যোজাতকে গজ ব্যান্ডেজ ও প্লাস্টিকের পেপার দিয়ে মুড়িয়ে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার পরিবারের লোক সন্তানটি বাড়িতে নিয়ে আসেন। সৎকার করার জন্য পেপার ও গজ ব্যান্ডের খুলতেই চমকে ওঠেন । বাচ্চাটি তখনও জীবিত, রীতিমতো হাত-পা নাড়াচ্ছে। পরিবারের লোক তড়িঘড়ি শিশুটিকে নিয়ে বসিরহাট হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাচ্চাটি এই মুহূর্তে সুস্থ ।

উত্তর ২৪ পরগনা: সদ্যোজাত শিশু কন্যাকে মৃত বলে ঘোষণা করে কাপড় ও প্লাস্টিক মুড়িয়ে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ খোদ নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই। পরিবারের সদস্যরাও সেটাই বিশ্বাস করে ফেলেছিলেন। পাঁচ ঘণ্টা পর সেই প্লাস্টিক খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। বাচ্চা হাত পা নাড়াচ্ছে। পরিবারের লোকজন বসিরহাট হাসপাতালে এনে ভর্তি করে শিশুটিকে, এই মুহূর্তে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। ভয়ঙ্কর ঘটনা বসিরহাটের স্বরূপনগরের পূর্ব পোলতা গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব পোলতা গ্রামের বাসিন্দা রুবিনা পারভিন বুধবার রাতে প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে বসিরহাটের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি হন । এরপর এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন তিনি। কিন্তু নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ রুবিনার পরিবারকে জানিয়ে দেয়, সদ্যোজাত কন্যা সন্তানটি মারা গিয়েছে।
পরিবারের দাবি, ৪০০ টাকার বিনিময়ে সদ্যোজাতকে গজ ব্যান্ডেজ ও প্লাস্টিকের পেপার দিয়ে মুড়িয়ে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তার পরিবারের লোক সন্তানটি বাড়িতে নিয়ে আসেন। সৎকার করার জন্য পেপার ও গজ ব্যান্ডের খুলতেই চমকে ওঠেন । বাচ্চাটি তখনও জীবিত, রীতিমতো হাত-পা নাড়াচ্ছে। পরিবারের লোক তড়িঘড়ি শিশুটিকে নিয়ে বসিরহাট হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, বাচ্চাটি এই মুহূর্তে সুস্থ । বাচ্চাটির মাকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । এই মুহূর্তে দুজনই সুস্থ আছে বলে দাবি পরিবারের। প্রসূতির পরিবারের এক সদস্য বললেন, “ওরা বলে দিল বাচ্চাটা মরে গিয়েছে। প্লাস্টিক দিয়ে মুড়িয়ে দিয়ে মুখটাও বেঁধে দিয়েছে। আমরা বাড়ি নিয়ে আসি। বাড়ির লোক কাঁদছিল। আমরা চার-পাঁচ ঘণ্টা পর যখন খুলি, দেখি বাচ্চাটা নড়ছে।” যদিও নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
