Bongaon political clash: মতুয়াদের ‘আচার মালা’ ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ, অশোক কীর্তনিয়ার প্রচার ঘিরে ধুন্ধুমার
TMC BJP clash in Bongaon: বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়ার দাবি, এদিন সকালে তিনি দলীয় কর্মীদের নিয়ে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার সারছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর পাপাই রাহার নেতৃত্বে একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। বিজেপি কর্মীদের শারীরিক নিগ্রহ করার পাশাপাশি এক মতুয়ার ‘আচার মালা’ ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

উত্তর ২৪ পরগনা: ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই তপ্ত হচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বৃহস্পতিবার সকালে বনগাঁ পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। প্রচার চলাকালীন তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার প্রতিবাদে বনগাঁ থানার সামনে রাস্তায় বসে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়া।
বিজেপির বক্তব্য
বিজেপি প্রার্থী অশোক কীর্তনীয়ার দাবি, এদিন সকালে তিনি দলীয় কর্মীদের নিয়ে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচার সারছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর পাপাই রাহার নেতৃত্বে একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। বিজেপি কর্মীদের শারীরিক নিগ্রহ করার পাশাপাশি এক মতুয়ার ‘আচার মালা’ ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বনগাঁ থানার সামনে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভ করেন প্রার্থী। অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “আমরা অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাব। নির্বাচন কমিশনকে পদক্ষেপ করতেই হবে। ওদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যাবে বিজেপি।”
পাল্টা দাবি তৃণমূলের
যদিও আক্রমণের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল শিবির। ওই এলাকার মহিলারা পাল্টা অভিযোগ তুলে জানান, গত পাঁচ বছরে বিধায়ককে এলাকায় দেখা যায়নি। আজ তিনি প্রচারে এলে মহিলারা তাঁর কাছে কৈফিয়ত ও উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করতে যান। তাঁদের দাবি, প্রশ্ন করায় উল্টে বিজেপি কর্মীরাই সাধারণ মানুষের ওপর চড়াও হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছয় বিশাল বাহিনী। এই সংঘাতকে কেন্দ্র করে উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পারদ তুঙ্গে উঠেছে। একদিকে বিজেপি যখন ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত ও প্রচারের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলছে, অন্যদিকে তৃণমূল একে জনরোষ হিসেবেই ব্যাখ্যা করছে। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
