Birbhum TMC Chaos: তলে-তলে অনেকেই যোগাযোগ রাখছে বিজেপির সঙ্গে, বিস্ফোরক তৃণমূল প্রার্থী
বীরভূম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হলো লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্র। লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ লাভপুর সিডি ব্লক এবং সাঁইথিয়া ব্লকের অন্তর্গত আহমদপুর, অমরপুর, ভ্রমরকোল, পাড়ুই, সাংরা ও শ্রীনিধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। অভিজিৎ সিংহ (রানা)। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১১ ও ২০১৬ সালে মণিরুল ইসলাম লড়েছিলেন।

বীরভূম: দু’দিন আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, অন্তত পনেরো দিন গোষ্ঠী কোন্দল ভুলে এক জোট হয়ে কাজ করতে। কিন্তু কোথায় কী, দলের একাংশ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দলের ক্ষতি করছে, চার তারিখের পর তাদের লিস্ট টাঙিয়ে দেওয়া হবে। এমনই মন্তব্য করলেন লাভপুরের তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ সিনহা। শুধু তাই নয়, দল থেকে বের করে দেওয়া হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
লাভপুর বিধানসভার কুসুমগড়িয়া গ্রামে ভোট প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ সিনহার। সেই সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, “দলে থেকে দলের সঙ্গে বেইমানি করছেন বেশ কয়েকজন। তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকে ফোনে ফোনে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী। তাদের থেকে সাবধান।”
এরপর তাঁর আরও সংযোজন, “ভোট গণনা হওয়ার পর অর্থাৎ চার তারিখের পর সেই সব বেইমানের লিস্ট টানিয়ে দেওয়া হবে। সেই বেইমানদের চিহ্নিত করে দল থেকে বের করে দেওয়া হবে। যাঁরা দলে থেকে বেইমানি করছেন তারা গদ্দার, নেমোখারাম।”
বীরভূম জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হলো লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্র। লাভপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি সম্পূর্ণ লাভপুর সিডি ব্লক এবং সাঁইথিয়া ব্লকের অন্তর্গত আহমদপুর, অমরপুর, ভ্রমরকোল, পাড়ুই, সাংরা ও শ্রীনিধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। অভিজিৎ সিংহ (রানা)। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। ২০১১ ও ২০১৬ সালে মণিরুল ইসলাম লড়েছিলেন।
