
বাগদা: এসআইআর প্রক্রিয়ায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় কারও নাম বাদ গিয়েছে। কারও নাম বিবেচনাধীনের তালিকায়। ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন। এরই মধ্যে অমিত শাহের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে সুসংবাদ পেলেন তাঁরা। উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বেশ কয়েকজন সিএএ-র অধীনে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেলেন। তাঁদের হাতে এসে পৌঁছেছে সিএএ শংসাপত্র। এই শংসাপত্র পেয়ে তাঁদের আশা, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
বাগদা বিধানসভার মালিপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষ কলোনি ও গাদপুকুর, গোয়ালবাগী এলাকার ১০ থেকে ১২ জন বাসিন্দা সম্প্রতি সিএএ সার্টিফিকেট হাতে পেয়েছেন। তার মধ্যে অনেকে রয়েছেন, যাঁদের নাম এসআইআর-এ কাটা গিয়েছে। অনেকের নাম বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছে।
গাদপুকুর এলাকার বাসিন্দা পল্লব বিশ্বাস ও তাঁর মা রেভারানি বিশ্বাসের নাম বিচারাধীন তালিকায় রয়েছেন। আর পল্লবের ভাই বিপ্লব বিশ্বাসের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। বাগদার বাজিতপুরের শিশির বিশ্বাসের নাম কাটা গিয়েছে। বাজিতপুরের দেবদাস ভদ্রের নামও নেই চূড়ান্ত তালিকা। সিএএ সার্টিফিকেট হাতে পেয়ে তাঁরা জানাচ্ছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিয়েছেন তাঁরা। তবে এখন সিএএ শংসাপত্র পেয়ে তাঁরা আশা করছেন, বিধানসভা নির্বাচনে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। আরও বলেন, এতদিন অনেকে তাঁদের বাংলাদেশি বলেছেন। কিন্তু এখন থেকে তাঁরা ভারতীয় নাগরিক। সিএএ সার্টিফিকেট পেয়ে আনন্দিত তাঁরা।
বাগদার ওই বাসিন্দাদের সিএএ শংসাপত্র পাওয়া প্রসঙ্গে তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি পরিতোষ কুমার সাহা বলেন, “বৈধ ভোটারের ভোট যাতে না কাটা যায়, সেই জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলন করেছেন। বৈধ ভোটারের নাম থাকুক, সেটা আমরাও চাই। কিন্তু এতদিন সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। ভোটের জন্য হয়তো কিছু সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ২০২৬ সালে তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় আছে।”