Suvendu Adhikari: ‘বুঝালেও বুঝত না, কেউ কিছু বলতে গেলেই বলত, সব জানি’, নাম না করে মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
Suvendu Attacks Mamata: মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "আগে বিগত দিনের সমবায় আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ছ হাজারের বেশি সমিতি রয়েছে। প্রায় দুই হাজার সমিতি কাজ করে না। ইঞ্জিনিয়ার্স কো-অপারেটিভ তৈরি হয়েছিল। সবাইকে তো চাকরি দিতে পারবেন না। ২৫ শতাংশের কোটা ছিল। সেটা বন্ধ করা হয়েছে। রাজ্য সমবায়ে গত ১২ বছর কোনও নির্বাচন হয়নি।"

কলকাতা: ‘সমবায় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেনি বিগত সরকার। সমবায় কী জানার চেষ্টা করেনি। কিছু বোঝাতে গেলেও বুঝতেন না। বলতেন সব জানি।’ এবার সমবায় ইস্যুতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে (Mamata Banerjee) আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার মধ্যগ্রামে মহিলা সোসাইটির ৩৪ বছরের পূর্তিতে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থনীতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে সমবায়ের, তা তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে সমবায়ের প্রতি বিগত সরকারের অবহেলা নিয়ে অভিযোগ তোলেন।
মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর
বছরের পর বছর ধরে রাজ্য সমবায়ে কোনও নির্বাচন হয়নি। সমবায় আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এমনই অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, ” পশ্চিমবঙ্গে দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি গত ১৫ বছরের সমবায় আন্দোলন অবহেলিত হয়েছে। কিছুটা সময় ওই সরকারের সঙ্গে আমিও ছিলাম। কী করবেন, সবাই তো ল্যাম্পপোস্ট ছিল, একটাই তো পোস্ট। বুঝালেও বুঝত না। কেউ কিছু বলতে গেলেই বলত, আমি তো সব জানি। আমি বলি অনেক কিছুই জানি না, অনেক কিছু শিখছি।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “আগে বিগত দিনের সমবায় আন্দোলন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ছ হাজারের বেশি সমিতি রয়েছে। প্রায় দুই হাজার সমিতি কাজ করে না। ইঞ্জিনিয়ার্স কো-অপারেটিভ তৈরি হয়েছিল। সবাইকে তো চাকরি দিতে পারবেন না। ২৫ শতাংশের কোটা ছিল। সেটা বন্ধ করা হয়েছে। রাজ্য সমবায়ে গত ১২ বছর কোনও নির্বাচন হয়নি। প্রাইমারি সমিতিতেও নির্বাচন হয়নি। সমবায় কী জিনিস, তা জানার চেষ্টা করেনি, এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করেনি।”
সমবায়ের গুরুত্ব বোঝালেন শুভেন্দু
সমবায় কী, অর্থনীতিতে কী গুরুত্ব, তাও বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “সমবায় হল বিকল্প অর্থনীতি। সবাই বলে আগে দু’টি সরকার ছিল। পরে তিনটি সরকার হয়েছে। আমি বলছি চারটে সরকার রয়েছে। একটা হল পার্লামেন্টের সদস্য দিয়ে লোকসভার সরকার অর্থাৎ দেশের সরকার। দ্বিতীয় হল বিধায়করা রাজ্যের সরকার তৈরি করে, তৃতীয় সরকার হল গ্রামে পঞ্চায়েত, শহরে পৌরসভা ও সমবায় সিস্টেমও সংবিধানে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এটা চতুর্থ সরকার। সমবায়কে যত মজবুত করবেন, অর্থনীতির নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।”
