CPIM Attacked: ‘ভাঙা’ হল মঞ্চ-চেয়ার, ‘ছেঁড়া’ হল গান্ধীর ছবি! বিরাটিতে বামেদের সভায় তাণ্ডব, দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট! ঝরল রক্ত
Birati clash in CPIM Meeting: শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বিরাটির বণিক মোড়ে পথসভার আয়োজন করেছিল সিপিএম। সন্ধেবেলায় সভা চলছিল। সেখানে বক্তৃতা দিতে যাওয়ার কথা ছিল সুজন চক্রবর্তীরও। কিন্তু, তার আগেই সেখানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, সভা চলাকালীন আচমকা হামলা চালায় কয়েকজন।

বিরাটি: গড়বেতার পর বিরাটি। ফের আক্রান্ত সিপিএম। বামেদের সভাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল বিরাটি। বণিক মোড়ে বামেদের সভামঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, শুধু মঞ্চ নয়, ভাঙা হয় চেয়ার, ছিঁড়ে ফেলা হয় ব্যানার। গান্ধীর ছবিও ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন সিপিএম কর্মী আহত হন বলে জানা গিয়েছে। ঝরেছে রক্তও। বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। পুলি়শের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সিপিএম। বাম নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, গোটা ঘটনা পুলিশের সামনেই ঘটেছে। কিন্তু, সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে।
শুক্রবার গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে বিরাটির বণিক মোড়ে পথসভার আয়োজন করেছিল সিপিএম। সন্ধেবেলায় সভা চলছিল। সেখানে বক্তৃতা দিতে যাওয়ার কথা ছিল সুজন চক্রবর্তীরও। কিন্তু, তার আগেই সেখানে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ, সভা চলাকালীন আচমকা হামলা চালায় কয়েকজন। ভেঙে ফেলা হয় চেয়ার, চলে ইটবৃষ্টি। ছিড়ে ফেলা হয় ব্যানার। গান্ধী জয়ন্তীতে গান্ধীর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। দীপ্সিতা ধরকে লক্ষ্য করে ইট-চেয়ার ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। এমনকী, ভাঙচুরের পর বেশ কয়েকজন বিজেপির পতাকা নিয়ে মঞ্চে উঠে স্লোগান দেয় বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করতে গেলে আক্রান্ত হন বহু সিপিএম কর্মী। পুলিশের সঙ্গে সিপিএম কর্মীদের রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধ চলে বলে অভিযোগ। রীতিমতো ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। দীপ্সিতা ধর বলেন, “এই ছবির মাধ্যমে আমরা দেখিয়ে দিতে পারি যে কতজন বিজেপি নেতা ছিল, কারা এসে ঝামেলা করেছে। কোনও কারণ ছাড়াই গণ্ডগোল করেছে। আমাদের মারধর করেছে। মহিলা কমরেডদের আক্রান্ত করেছেন। একটি ছেলের চোখ ফেটে গিয়েছে। আমরা বিজেপিকে বলছি, সভা এখানেই হবে। স্টেজ ভেঙে দিন, চেয়ার ভেঙে দিন, মাইক ভেঙে দিন, সভা এখানেই হবে।”
