Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে আগামিকাল সভা বাতিল করল তৃণমূল, ন্যাজোট যাচ্ছেন দুই মন্ত্রী
Sandeshkhali: তবে আগামিকাল সভা না হলেও আগামী ৩ মার্চ বিশাল জনসভা সন্দেশখালিতে করতে চলেছে ঘাসফুল শিবির বলে জানা গিয়েছে। ওই দিনের সভায় সুজিত বসু-পার্থ ভৌমিক ছাড়াও উপস্থিত থাকতে পারেন ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, নারায়ণ গোস্বামী সহ আরও একাধিক মন্ত্রী ও নেতৃত্ব।

সন্দেশখালি: রবিবার সন্দেশখালিতে জনসভা করার কথা ছিল শাসক দল তৃণমূলের। তবে সেই কর্মসূচিতেই এবার বদল। আগামিকাল সন্দেশখালি যাচ্ছেন না তৃণমূলের দুই মন্ত্রী সুজিত বসু ও পার্থ ভৌমিক। তার বদলে ন্যাজোটে যাবেন তাঁরা। সেখানে কথা বলবেন দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে।
তৃণমূল সূত্রে খবর, যেহেতু উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে সেই কারণে সমাবেশ করলে মাইক বাজবে। পরীক্ষার্থীদের অসুবিধা হবে। পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত বদল বলে জানা গিয়েছে। তবে আগামিকাল সভা না হলেও আগামী ৩ মার্চ বিশাল জনসভা সন্দেশখালিতে করতে চলেছে ঘাসফুল শিবির বলে জানা গিয়েছে। ওই দিনের সভায় সুজিত বসু-পার্থ ভৌমিক ছাড়াও উপস্থিত থাকতে পারেন ব্রাত্য বসু, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, নারায়ণ গোস্বামী সহ আরও একাধিক মন্ত্রী ও নেতৃত্ব।
প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে যে বিক্ষোভের আগুন জ্বলছে, তা মূলত তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তাঁর সহযোগী শিবু হাজরা ও উত্তর সর্দারের বিরুদ্ধে। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনকেও। শাসকদলকে কাঠগড়ায় তুলে সরব হয়েছে বিজেপি-সিপিএম। উত্তম পুলিশের জালে এলেও অধরা শিবু হাজরা। এই আবহে কয়েকদিন আগে সন্দেশখালির মাটিতে পা রাখেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। সেখানে পৌঁছে পার্থ জানিয়েছিলেন, ‘খেলা ঘুরে যাবে’। এও বলেছিলেন, “যারা ভাবছে যে টিভিতে একদিন মুখ দেখিয়ে সন্দেশখালি দখল করে নেবে, তারা একবার দেখে যান। মাটির সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলে এলাকায় থাকা যায় না।” সন্দেশখালির মাটিতে ঘাসফুলের শিকড় যে এখনও পোক্ত আছে, কার্যত সেই বার্তাই দিয়েছিলেন পার্থ। এই পরিস্থিতিতে আগামী ৩ মার্চ সন্দেশখালির মাটিতে শাসক দলের জনসভা আদৌ খেলা ঘোরাতে পারে কি না তার দিকেই এখন তাকিয়ে তামাম রাজনৈতিক মহল।
