Minakha: ‘এত কুপিয়েছে চিনতে পারা যাচ্ছে না…’, ভোটের বাংলায় তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার
মিনাখাঁ বিধানসভার সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রাম রাস্তার পাশে সাত সকালে এলাকাবাসীরা দেখতে পান রাস্তার ধারে পড়ে আছে দেহ। শরীরে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের কোপ। তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ। যুবকের দেহ উদ্ধার করেন তাঁরা।

কলকাতা: প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই উত্তর ২৪ পরগনায় মিনাখাঁতে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভ চলছে। আর এই আবহের মধ্যেই এবার এক তৃণমূল কর্মীরা দেহ উদ্ধার। ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়েছে তাঁর। এলাকাবাসীর দাবি, মৃত যুবক এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। তাঁকেই কেউ খুন করে ফেলে রেখে গিয়েছেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রে খবর, মশিউর কাজি (৩৮)। হাড়োয়া বিধানসভার গাংনিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
মিনাখাঁ বিধানসভার সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রাম রাস্তার পাশে সাত সকালে এলাকাবাসীরা দেখতে পান রাস্তার ধারে পড়ে আছে দেহ। শরীরে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের কোপ। তারপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাড়োয়া থানার পুলিশ। যুবকের দেহ উদ্ধার করেন তাঁরা। ভোটের আগে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় হয়ে উঠল গোটা এলাকা।
মৃতের ভাই বলেন, “আজ সকালে খবর পেয়েছি। দেহ দেখে বুঝতে পেরেছি আমার ভাই। নৃশংসভাবে কুপিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। রাজনৈতিক শত্রুতা রয়েছে। সঠিক বিচার আলি।” স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “মুখটার এত বীভৎস অবস্থা করে দিয়েছে বলার কিছু নেই। দেখে প্রথমে বুঝতে পারিনি। অনেকক্ষণ দেখার পর চিনতে পেরেছি। ও তৃণমূল পার্টি করতেন। উনি কালকে রাতে বলেছিলেন কাজে যাচ্ছি। পরিবারের লোকজন বলছে, তারপর থেকে আর ফেরেননি বাড়িতে। এরপর সকালে খবর আসে বডি পাওয়া গিয়েছে। পরে বাড়ির লোক এসেছে সনাক্ত করেছে। এত কুপিয়েছে যে চেনা যায়নি।”
