TMC-BJP: হেরে যাবে মা? ‘মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণ হয়নি’, আশীর্বাদ নিয়েও BJP প্রার্থীর বিরদ্ধে বলছেন TMC প্রার্থী ‘ছেলে’
Siliguri: শৈশবে বাবা-মাকে হারান রঞ্জন। সেই সময়ে মৃত্যুশয্যায় শিখার কাছেই রঞ্জনকে দিয়ে যান রঞ্জনের মৃত্যু পথযাত্রী মা। এরপর শিখার অপত্য স্নেহে বেড়ে ওঠা। দু’জনেই ছিলেন তৃণমূলে। পরে শিখা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে চলে যান। ২০২১ সালে বিজেপির বিধায়কও হয়ে যান। এবার ফের তাঁকেই টিকিট দিয়েছে বিজেপি।

শিলিগুড়ি: ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে বিজেপির প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছেই বড় হয়েছেন তৃণমূলের রঞ্জন শীলশর্মা। মা বলেই ডাকেন শিখাকে। এবার ভোটের আগে তাই মায়ের আশীর্বাদ নিয়েই মায়ের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করলেন রঞ্জন। কৌশলে জানিয়ে দিলেন এবার হারছেন মা। জিতবে ছেলেই। বললেন মা অসুস্থ। চলাফেরাই করতে পারেন না৷
শৈশবে বাবা-মাকে হারান রঞ্জন। সেই সময়ে মৃত্যুশয্যায় শিখার কাছেই রঞ্জনকে দিয়ে যান রঞ্জনের মৃত্যু পথযাত্রী মা। এরপর শিখার অপত্য স্নেহে বেড়ে ওঠা। দু’জনেই ছিলেন তৃণমূলে। পরে শিখা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে চলে যান। ২০২১ সালে বিজেপির বিধায়কও হয়ে যান। এবার ফের তাঁকেই টিকিট দিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে তৃণমূলের তরফে এই কেন্দ্রে টিকিট পেয়েছেন রঞ্জন শীলশর্মা। ডাবগ্রামে দু’টি পঞ্চায়েত, ফুলবাড়ির দু’টি পঞ্চায়েত এবং পুরনিগমের ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে এই বিধানসভা। শিলিগুড়ি পুরসভায় দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর রঞ্জন শীলশর্মা। এবার বিধায়ক হওয়ার দৌড়ে এবার মায়ের বিরুদ্ধে লড়বেন রঞ্জন। তাই এখন জেলার রাজনৈতিক মহলের চর্চার একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে।
এদিন সকালে শিখার বাড়ি পৌঁছে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন রঞ্জন। এরপর বেশ কিছুক্ষন কথাবার্তাও হয় দু’জনের। তারপরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রঞ্জন বলেন, “মায়ের আশীর্বাদ নিলাম। কিন্তু এটা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের লড়াই। এলাকার আশা-আকাঙ্খা পূরণ করতে পারেননি মা। ভোটের ফল দেখবেন।”
সব বুঝে রেগে আগুন শিখাও। তিনি বলছেন, “পরিবারে রাজনীতি ঢোকাল তৃণমূল। এ লড়াই নীতির। ছেলে পথভ্রষ্ট। তৃণমূলে সব চোর আর দুর্নীতিগ্রস্ত মানুষেরা আছে।” কিন্তু ‘ছেলেও’ তাই? উত্তরে শিখার জবাব, “সবাই তাই। একইসঙ্গে তিনি বলেন, আমার শরীরের খোঁজ না নিয়ে ও নিজে ওষুধ খাক। ওর নানা সমস্যা আছে।”
