Cancer Hospital: ‘শক্তি রাখতে হবে’, এবার বাংলার ক্যান্সার হাসপাতালে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়া অভিনেত্রী মহিমা চৌধুরী
Cancer Hosipital: সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক বোনাপার্ট চৌধুরী জানান, কলকাতার বাইরে বিদেশি ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কলকাতার পর রাজ্যে প্রথম স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে হবে ক্যান্সার চিকিৎসা। পূর্ব ভারতে প্রথম ও দেশে চতুর্থতম ১৮০ স্লাইস ডিজিটাল পিইটি-সিটি মেশিন বসেছে সনকা হাসপাতালে।

দুর্গাপুর: ‘ক্যান্সার চিকিৎসার ওষুধ একই। দিল্লি মুম্বই নয় এবার ক্যান্সার চিকিৎসায় সাড়া ফেলবে দুর্গাপুরের সনাকা ক্যান্সার হাসপাতাল।’ সনাকা ক্যান্সার হাসপাতালের উদ্বোধনে করে বললেন ক্যান্সার জয়ী বলিউড অভিনেত্রী মহিমা চৌধুরী। তিনি বলেন, “ক্যান্সার আক্রান্তদের মনের শক্তি রাখতে হবে। তাঁর ক্যান্সার লড়াইয়ে সঙ্গী হয়েছিল পরিবার, বন্ধু-বান্ধব আর চিকিৎসকরা।” অভিনেত্রী সেদিন নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। মহিমা জানান, তিনি লড়াই শিখেছিলেন অন্যদের লড়াই দেখে। আর ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভগবান। দুর্গাপুরের কাঁকসার মলানদিঘির শ্রী রামকৃষ্ণ ইন্সস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স এন্ড সনাকা ক্যান্সার হাসপাতালের চিকিৎসাও ক্যান্সার আক্রান্তদের ভরসার অন্যতম জায়গা হয়ে দাঁড়াবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পান্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান কবি দত্ত সহ বিশিষ্টজনেরা।
সংস্থার মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক বোনাপার্ট চৌধুরী জানান, কলকাতার বাইরে বিদেশি ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কলকাতার পর রাজ্যে প্রথম স্বাস্থ্যসাথী কার্ডে হবে ক্যান্সার চিকিৎসা। পূর্ব ভারতে প্রথম ও দেশে চতুর্থতম ১৮০ স্লাইস ডিজিটাল পিইটি-সিটি মেশিন বসেছে সনকা হাসপাতালে। ক্যানসার চিকিৎসায় এই মেশিন অপরিহার্য। সার্জিক্যাল, মেডিক্যাল অনকোলজি, পেইন ম্যানেজমেন্ট, পল্লিয়েটিভ কেয়ার চিকিৎসা হবে এখানে।
২৫০ শয্যার এই হাসপাতালে সব ধরনের ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা হবে। ৫০ জন বিশেষজ্ঞ ক্যান্সার চিকিৎসকও রয়েছে এই হাসপাতালে। স্বাস্থ্য সাথী কার্ডে পরিষেবা মেলায় গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষের ক্যান্সার চিকিৎসার প্রাণকেন্দ্র হয়ে দাঁড়াবে এই হাসপাতাল বলেও তিনি আশাবাদী।
