Trinamool Congress: প্রার্থী ঠিক হয়নি, তার আগেই নেতার নামে শুরু হয়ে গেল দেওয়াল লিখন! অস্বস্তিতে শাসকদল

Asansol: ছবিটা দেখা গিয়েছে বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকের খুদিকা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। একাধিক দেওয়ালে লেখা ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়কে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিন। বারবনির তৃণমূল কর্মী রাজীব গড়াই বলছেন, “বিধানদা ছাড়া এই কেন্দ্রে তৃণমূলের বিকল্প আর কোনও প্রার্থী আছে বলে আমার মনে হয় না।”

Trinamool Congress: প্রার্থী ঠিক হয়নি, তার আগেই নেতার নামে শুরু হয়ে গেল দেওয়াল লিখন! অস্বস্তিতে শাসকদল
রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর Image Credit source: TV 9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 06, 2026 | 12:16 AM

বারাবনি: এখনও ঘোষণা হয়নি বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ। কিন্তু তাতে কী, এখন থেকেই শুরু হয়ে গেল দেওয়াল লিখন। তাও আবার প্রার্থীর নাম সহ। বারাবনি বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে বিধান উপাধ্যায়ের নামে দেওয়াল লিখন শুরু করে দিলেন দলের কর্মী সমর্থকেরা। তা নিয়েই এক্কেবারে শাসকদলের অন্দরে চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। এদিকে বিধানসভা ভোটের জন্য এখনও কোনও কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি তৃণমূল। কিন্তু তার আগে এই কাজের পিছনে কী তাহলে অন্য কোনও সমীকরণ কাজ করছে? 

ছবিটা দেখা গিয়েছে বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকের খুদিকা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। একাধিক দেওয়ালে লেখা ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল প্রার্থী বিধান উপাধ্যায়কে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিন। বারবনির তৃণমূল কর্মী রাজীব গড়াই বলছেন, “বিধানদা ছাড়া এই কেন্দ্রে তৃণমূলের বিকল্প আর কোনও প্রার্থী আছে বলে আমার মনে হয় না।” এদিকে বারাবনির বিধায়ক হিসাবে হ্যাটট্রিক করে ফেলেছেন বিধান উপাধ্যায়। ২০১১ সাল থেকে বিধান উপাধ্যায় রয়েছেন বারাবনির বিধায়ক। ২০১১, ২০১৬, ২০২১ তিনটি পর্যায়ে তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন বিধান উপাধ্যায়। তিন তিনবারেই তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করে বিধায়ক হন। বিধানের বাবা প্রয়াত মানিক উপাধ্যায়। তিনি প্রথমে কংগ্রেস, পরে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন। মানিক উপাধ্যায়ের ঘাঁটি ছিল বারাবনি বিধানসভা। তিনি প্রয়াত হওয়ার পর তাঁর ছেলে বিধান তৃণমূল থেকে টিকিট পান।  

তবে ভোটের আগে প্রার্থীর নাম ঘোষণার আগে এভাবে অতি উৎসাহের সঙ্গে দেওয়াল লিখনকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিজেপি। বিজেপি জেলা কমিটির সদস্য তথা বারাবনির কনভেনার অভিজিৎ রায় কটাক্ষের সুরেই বলছেন, “এই ঘটনা যে কোনও দলের দলের নিয়ম-শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এখনও পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়নি, তার আগেই কর্মীরা সমর্থকরা কোন অনুশাসন ভেঙে তাদের প্রার্থী তালিকা ডিক্লেয়ার্ড করে দেয়?  ভারতীয় জনতা পার্টিতে তো এটাকে অফেন্স হিসেবে ট্রিটমেন্ট করা হয়।”