Minakshi Mukherjee: আটক মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ বাম কর্মীরা
মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় বলেন, "রেশন থেকে নাম বাদ যাওয়া, হকার উচ্ছেদ, কুলিয়ারি ও স্টিল প্ল্যান্ট বন্ধ হওয়া, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধি থেকে শুরু করে মহিলাদের ওপর ক্রমবর্ধমান অত্যাচার সব মিলিয়ে মানুষের ক্ষোভ আজ চরম সীমায়। পুলিশি পাহারা দিয়ে এই জনরোষ আটকানো যাবে না।"

আসানসোল: রাজ্যব্যাপী আইন অমান্য ও ‘জেল ভরো’ কর্মসূচির আঁচে উত্তপ্ত আসানসোল। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের শ্রমিক-কৃষক বিরোধী নীতি, কাজের দাবি, শ্রম কোড বাতিল এবং সামাজিক সুরক্ষার দাবিতে বামেদের এই অভিযানকে ঘিরে এদিন উত্তেজনা ছড়ায় আসানসোল পুলিশ লাইন সংলগ্ন এলাকা। আসানসোলের শতাব্দী পার্ক থেকে জিটি রোড ধরে বিশাল মিছিল শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিল ভগৎসিং মোড়ে পৌঁছাতেই পুলিশের বসানো প্রথম ব্যারিকেডটি ভেঙে ফেলে বাম আন্দোলনকারীরা। এরপর পুলিশ লাইনে দ্বিতীয় ব্যারিকেডও ভেঙে এগিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। অবশেষে দক্ষিণ পুলিশ ফাঁড়ির কাছে বিশাল বড় পাঁচিলের মতো গড়ে তোলা তৃতীয় ব্যারিকেডের সামনে আটকে যায় মিছিল, যেখানে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী, জলকামান ও দমকল মোতায়েন করে প্রশাসন।
এ দিনের, হাই-ভোল্টেজ কর্মসূচিতে সিপিএম রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য পার্থ মুখোপাধ্যায়ের পাশাপাশি সরাসরি নেতৃত্বের ভূমিকায় ছিলেন সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee)। ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়ে মেজাজে মাইকে মীনাক্ষী বলেন, “দেশ, দেশের মানুষ ও সংবিধান বাঁচানোর লড়াইয়ে গোটা দেশ জুড়ে শ্রমিক, কৃষক, ক্ষেতমজুর ও বস্তিবাসীদের এই প্রতিবাদ। মোদী ও বর্তমান রাজ্য সরকারের শ্রমিক-কৃষক বিরোধী নীতির ফল ভোগ করছে সাধারণ মানুষ। রেশন থেকে নাম বাদ যাওয়া, হকার উচ্ছেদ, কুলিয়ারি ও স্টিল প্ল্যান্ট বন্ধ হওয়া, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধি থেকে শুরু করে মহিলাদের ওপর ক্রমবর্ধমান অত্যাচার সব মিলিয়ে মানুষের ক্ষোভ আজ চরম সীমায়। পুলিশি পাহারা দিয়ে এই জনরোষ আটকানো যাবে না।”
উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই পরবর্তীতে মীনাক্ষী সহ শীর্ষ বাম নেতাদের পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করে এবং দুটি বাস ও প্রিজন ভ্যানে তুলে থানায় নিয়ে যায়।
