Asansol: হটস্পট কুলটি, ‘অপারেশন প্রহারে’ ধরা পড়ল মাস্টারমাইন্ড শুভম
Crime Case: ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, উচ্চপদে থাকা চার-পাঁচজন মাস্টারমাইন্ডের হাত ধরেই এই ইকোসিস্টেম পরিচালিত হত। নতুন যুবকদের রিক্রুট করে ভুয়ো সিম, মোবাইল ও জালিয়াতির কৌশল শেখানো হত।

আসানসোল: সাইবার জালিয়াতির শিকড় উপড়ে ফেলতে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের তরফে চালানো হল ‘অপারেশন প্রহার’। আর সেই অভিযানেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল নিয়ামতপুর হরিজন পাড়ার ‘জামতারা মোডিউল’-এর অন্যতম প্রধান মাথা শুভম সাউ। রবিবার হরিজন পাড়া এলাকায় বিশাল বাহিনী নিয়ে অভিযান চালিয়ে কুলটি থেকে এই মাস্টারমাইন্ড শুভমকে গ্রেফতার করা হয়।
এক মাস ধরে চলা এই মেগা অপারেশনের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন এডিসিপি (সাইবার) রাহুল পাণ্ডে। তিনি জানান, ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে কমিশনারেট এলাকায় ১০টি মামলা রুজু করা হয়েছে। আর সেই সব মামলায় এখনও পর্যন্ত ১২১ জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, উচ্চপদে থাকা চার-পাঁচজন মাস্টারমাইন্ডের হাত ধরেই এই ইকোসিস্টেম পরিচালিত হত। নতুন যুবকদের রিক্রুট করে ভুয়ো সিম, মোবাইল ও জালিয়াতির কৌশল শেখানো হত।
এডিসিপি রাহুল পাণ্ডের বক্তব্য, কমিশনারেটের অধীনে এই চক্রের মূল হটস্পট ছিল কুলটি থানার অধীনস্থ নিয়ামতপুর। কয়েকদিন আগে নিয়ামতপুর হরিজন পাড়ার এক ঘুপচি ঘরে স্পেশাল সার্চ অ্যান্ড কর্ডন অভিযান চালিয়ে সাইবার জালিয়াতির চক্র ধরে ফেলে পুলিশ। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ওই পাড়ায় প্রতারকদের বাড়িতে ৩৬০ ডিগ্রি সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারিও চালানো হয়। ওই অভিযানের পর সুনির্দিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতেই তদন্তের জাল গড়ায় বরাকর এবং দুর্গাপুর পর্যন্ত।
জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ড সীমানা ঘেঁষা হওয়ায় এই অপরাধীদের সঙ্গে জামতারা নেটওয়ার্কের গভীর যোগ রয়েছে। ধৃত শুভম ও তার সহযোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও অনলাইন লেনদেন খতিয়ে দেখে তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।
