TMC Candidate Affidavit Controversy: তথ্য গোপনের অভিযোগ, TMC প্রার্থীর হলফনামা ঘিরে বিতর্ক
Sujay Hazra affidavit controversy: বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, সুজয় হাজরা নিজে একটি পার্টনারশিপ ফার্মে লাভজনক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু হলফনামায় তিনি দাবি করেছেন, তাঁর পার্টনারশিপ কোন ব্যবসা নেই। আয়ের হিসাবের ক্ষেত্রেও মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। সমস্ত নথি সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরে তৃণমূল প্রার্থীর প্রার্থী পদ বাতিলের দাবি করেছেন তিনি।

পশ্চিম মেদিনীপুর: নমিনেশনের হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে! প্রার্থী পদ বাতিলের দাবি বিজেপির। নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দায়ের। এপ্রিল মাসের ২ তারিখ মেদিনীপুর বিধানসভায় তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে নমিনেশন দাখিল করেছিলেন সুজয় হাজরা। সেই সময় তার দেওয়া হলফনামায় তথ্য গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর গুছাইতের।
বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, সুজয় হাজরা নিজে একটি পার্টনারশিপ ফার্মে লাভজনক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু হলফনামায় তিনি দাবি করেছেন, তাঁর পার্টনারশিপ কোন ব্যবসা নেই। আয়ের হিসাবের ক্ষেত্রেও মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। সমস্ত নথি সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরে তৃণমূল প্রার্থীর প্রার্থী পদ বাতিলের দাবি করেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুরের DEO র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে । বিজেপির দাবি, মানুষের সঙ্গে প্রতারণার পাশাপাশি কমিশনের সঙ্গেও প্রতারণা করছে তৃণমূল প্রার্থী।
আইনজীবী তীর্থঙ্কর ভকতের মতে, এ ধরনের তথ্য গোপন করা একেবারেই বাঞ্ছনীয় নয়। তথ্য গোপনের জন্য কমিশন চাইলে তার প্রার্থী পদ বাতিল করতে পারে। যদিও এ প্রসঙ্গে মেদিনীপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরার দাবি, কমিশন থেকে নোটিস করে এ বিষয়ে জানতে চাইলে যথাযথ উত্তর দেবেন তিনি। তিনি বলেন, “আমার তো লেখাই রয়েছে প্রফেশন ব্যবসা। ইনকাম ট্যাক্স ফাইলে সব তথ্য দেওয়া রয়েছে। সেখানে তথ্য গোপনের কোনও জায়গায় নেই। মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে। নির্বাচন কমিশন যদি চিঠি করে, আমার আইনজীবী তাঁর উত্তর দিয়ে দেবেন।”
হাতেগোনা আর দিন কয়েক বাদেই ভোটগ্রহণ। মেদিনীপুরেও এবার টানটান লড়াই। তার মাঝে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।
